
রাধানগর 17 ই ডিসেম্বর:
রাতের অন্ধকারে মজুত রাখা ধানে আগুন,ক্ষতিগ্রস্ত চাষী ক্ষতিপূরণের দাবি। যদিও এই ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকা জুড়ে। চাষের মরশুমে এই ক্ষতিতে সর্বশ্রান্ত কৃষক। অন্যদিকে কৃষকের অভিযোগ কেউ বা কারা ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে তাদের খামারে।

রাতের অন্ধকারে খামারে মজুত ধানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল।আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল প্রায় চার বিঘে জমির ধান। ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক প্রায় ৬০ হাজার টাকা।চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক পরিবারটি। ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা থানার রাধানগর গ্রামের ঘটনা। ঘটনা ক্রমে জানা যায় গ্রামের বাসিন্দা স্বপন মণ্ডল মাঠ থেকে পাকা ধান কেটে খামারে মজুত করে রেখেছিলেন।অভিযোগ, মঙ্গলবার গভীর রাতে হঠাৎই সেই খামারের ধানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে শুরু করে।প্রতিবেশীদের চিৎকারে ঘুম ভেঙে যায় স্বপন মণ্ডল ও এলাকার বাসিন্দাদের। রাতেই সকলে ছুটে এসে পাম্প চালিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।দীর্ঘ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও, ততক্ষণে বেশিরভাগ ধান পুড়ে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়।স্বপন মণ্ডল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাতের অন্ধকারে কেউ বা কারা ইচ্ছাকৃতভাবে ধানে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক স্বপন মণ্ডল ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চাষী স্বপন মন্ডল বলেন,”রাতের অন্ধকারে আমার সদ্য জমি থেকে কেটে আনা ধানে কেউ বা তারাও আগুন লাগিয়ে দেয়।প্রায় ৬ বিঘার মধ্যে আমি কিছুটা সরাতে পেরেছিলাম বাকি সব পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।যদিও আমরা আগুন লাগার ঘটনা জানা জানি হওয়ার পরেই সাবমারসিবল দিয়ে আগুনোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু করতে না পারায় সমস্ত ধান পুড়ে গেছে।আমরা সিভিক এর মধ্য দিয়ে প্রশাসনকে জানিয়েছি বিষয়টি। মরা মনে করছি কেউ বা কারা রাতের অন্ধকারে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে আমাদের খামারে।

অন্যদিকে প্রতিবেশী নন্দ ঘোষ বলেন,”আমরা রাতের বেলায় বাথরুম করতে ওঠার সময় আগুন দেখতে পায়। তারপরে আমরা চিৎকার চেঁচামেচিতে সবাই দৌড়ে আসে।এরপর আমরা জলের পাইপ লাগিয়ে অনেক চেষ্টা করে আগুন নেভাতে সমর্থ হই। কিন্তু তার আগেই সমস্ত ধান পুড়ে গেছে। বিষয়টি প্রশাসন কেও জানালাম।