
সবং 23 সে ডিসেম্বর:
ভুয়ো ডায়াগনস্টিক সেন্টার তো ছিলই এবার খোদ বিজ্ঞাপন দিয়ে সেন্টারে রোগী পাঠালেই ডাক্তারদের ফ্রিজ,স্কুটার,মোবাইল দেওয়ার বিজ্ঞাপন,যা নিয়ে শোরগোল জেলায়।যদিও এই ঘটনায় অভিযোগ হওয়া মাত্রই তড়িঘড়ি শোকজের পাশাপাশি তদন্ত টিম গঠন করল জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক।জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক জানালেন তদন্ত রিপোর্ট আসার পর খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবার এক ডায়গনস্টিক সেন্টারের বিজ্ঞাপন নিয়ে শোরগোল উঠলো জেলায়। এই সেন্টারের বিজ্ঞাপনে দেওয়া আছে সেন্টারে রোগীদের টেস্ট করতে পাঠালে অর্থাৎ ব্যবস্যা দিলেই চিকিৎসকরা পাবেন ইলেকট্রিক স্কুটার, ফ্রিজ,স্মার্ট ফোন। এইরকমই বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারে নামল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং ব্লকের তেমাথানি লুটুনিয়ার ‘ যমুনা ডায়গনস্টিক প্যাথলজি অ্যান্ড পলিক্লিনিক সেন্টার ‘। ফলে প্রশ্ন উঠছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে। এছাড়াও স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই ডায়গনস্টিক প্যাথলজি অ্যান্ড পলিক্লিনিক সেন্টারের দেওয়া বিজ্ঞাপনে ডাক্তার বাবুদের পরিষেবায় বলে আলাদা একটি বিভাগ করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, বছরে ৫০ হাজার ( বি ২ বি – বিজনেস টু বিজনেস ) করলে দেওয়া হবে স্মার্ট ফোন, বছরে এক লক্ষ বি ২ বি করলে ফাইভ স্টার ফ্রিজ উপহার। এছাড়া ২ লক্ষ টাকার বি ২ বি করলে মিলবে ইলেকট্রিক স্কুটার।

এছাড়াও ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করবে এই সংস্থা। ফলে প্রশ্ন উঠছে এরকম ধরনের পরিষেবা কি ডায়াগনস্টিক সেন্টার দিতে পারে?আর তাই যদি দেয় ডাক্তাররা যদি সেই সুযোগ-সুবিধা নিয়ে রোগীদের পাঠায় তাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কতটা উন্নত হবে সেটাই প্রশ্নের!

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ঢেলে সাজানো হচ্ছে।মেডিকেল কলেজের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হয়েছে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল পিপিপি মডেলেও বহু মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।এরই পাশাপাশি ভ্রাম্যমান অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে জেলার মানুষদের চিকিৎসা পরিষেবা দেয়া হচ্ছে সেখানে এই ধরনের সেন্টার বিজ্ঞাপন কি করে দেয় সেটাই প্রশ্নের।

যদিও এ বিষয়ে সবংয়ের যমুনা ডায়গনস্টিক প্যাথলজি অ্যান্ড পলিক্লিনিক সেন্টারের ব্যানারে দেওয়ার নাম্বারে ফোন করলে সেন্টারের হয়ে চন্দন সেন সংবাদমাধ্যম কে বলেন,”আমি চিকিৎসদের গিফট দিতেই পারি না !দেওয়ার কি আছে,লোক ফ্ল্যাট গাড়ি দিচ্ছে।

যদিও এ বিষয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা সৌম্য শঙ্কর ষড়ঙ্গী বলেন,”ঘটনাটা সঠিক।এই নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের অভিযোগও জমা পড়েছে।আমরা ওনাদের নির্দেশ দিয়েছি অবিলম্বে এই ধরনের অনৈতিক কাজকর্ম বন্ধ করে সাত দিনের মধ্যে জানাতে।এর জন্য আমাদের একটি তদন্ত টিমও গড়া হয়েছে। আমরা রিপোর্ট করতে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।