
মেদিনীপুর 1 লা জানুয়ারি:
এবার এক লাফে দাম বেড়ে যাচ্ছে সিগারেট সহ তামাক জাত দ্রব্য,জর্দা একাধিক জিনিসের।তবে কবে থেকে তার দিনক্ষণ নির্ধারণ করল কেন্দ্র। কেন্দ্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছে,আগামী মাসের শুরুতেই তামাকজাত দ্রব্য ও পানমশলার উপর নতুন শুল্ক চাপতে চলেছে। ফলে এখন থেকে নেশার জন্য বাড়তি টাকা গুনতে হবে ধূমপায়ীদের।

বছরের শুরুতেই ধুমপায়ীদের জন্য সুখবরের জায়গায় দুঃখবর শোনালো কেন্দ্রীয় সরকার। এক ধাক্কায় বাড়তে চলেছে তামাকজাত দ্রব্য সেই সঙ্গে সিগারেটের দাম।সূত্র অনুযায়ী গত বুধবার কেন্দ্রের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই তামাকজাত পণ্যের উপর অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক এবং পানমশলার উপর নতুন সেস আরোপ করা হতে চলেছে। এ ছাড়া, অর্থ মন্ত্রকের তরফে ‘চিবোনোর তামাক, জর্দার সুগন্ধযুক্ত তামাক এবং গুটখা প্যাকিং মেশিন (ক্ষমতা নির্ধারণ এবং শুল্ক আদায়) বিধিমালা, ২০২৬’-এর বিষয়েও বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে বুধবার।সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পানমশলা, সিগারেট এবং তামাকজাত সামগ্রী-সহ যাবতীয় ‘পাপের পণ্যে’ ৪০ শতাংশ পণ্য পরিষেবা কর বা জিএসটি হার প্রযোজ্য হবে। বিড়ির উপর প্রযোজ্য হবে ১৮ শতাংশ জিএসটি।

পাশাপাশি, পানমশলার উপর স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা সেস আরোপ করা হবে। অন্য দিকে, তামাক এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের উপর চাপবে অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক।সিগারেটের উপর বর্তমান করের মধ্যে ২৮ শতাংশ পণ্য ও পরিষেবা কর এবং অতিরিক্ত শুল্ক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সেপ্টেম্বরে জিএসটি-র নতুন কাঠামোয় কেন্দ্রের তরফে ‘পাপের পণ্যে’ ৪০ শতাংশ কর বসানোর কথা ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি, জিএসটির হার কমলেও যাতে সিগারেট, তামাক, পানমশলা কিংবা গুটখার মতো নেশাদ্রব্যের দাম না কমে, সেই ব্যবস্থা করতে গত ডিসেম্বরে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে ‘স্বাস্থ্য এবং জাতীয় সুরক্ষা সেস বিল’ আনে কেন্দ্র। জানানো হয়, কেন্দ্রীয় উৎপাদন শুল্ক আইন সংশোধনের পর এই পণ্যগুলির উপর যে বাড়তি কর চাপানো হবে, তা খরচ করা হবে জনস্বাস্থ্য ও জাতীয় সুরক্ষায়। সেই মতো এ বার দাম বাড়তে চলেছে পানমশলা ও তামাকজাত পণ্যের।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিশেষজ্ঞদের মতে তামাকজাত দ্রব্য এবং সিগারেটের পেছনে বিধিসম্মত ধূমপান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে যে ক্ষতিকারক তার বিজ্ঞাপন দিয়েও কমানো যাচ্ছে না ধূমপান।