
খড়গপুর 13 ই ফেব্রুয়ারি:
বিপদে মানুষ পড়লে তখন মাথার ঠিক থাকে না এই জরুরি পরিষেবা কোথায় পাওয়া যাবে কোথায় পাওয়া যাবে না!অ্যাম্বুলেন্স কোথায় পাবো?কোন ডাক্তার ভালো? কে এই অসময়ে এসে দিয়ে যাবে অক্সিজেন সিলিন্ডার এই বিষয়ে ভাবতে ভাবতে প্রায় সময় দুর্ঘটনা ঘটে যায়,মারা যায় নিজের প্রিয়জন। এই পরিস্থিতিতে পুনরায় যাতে পড়তে না হয় সাধারণ মানুষকে,যাতে চটজলদি জরুরি পরিষেবা হাতের সামনে পাওয়া যায় তাই খড়গপুর থেকে পথচলা শুরু হলো সেবা লিংকের।

এই সেবা লিংক হলো বছর 31 এর এক IT কোম্পানিতে কর্মরত সৌরভ ভূঞ্যা নামক এক যুবকের মস্তিষ্ক প্রসূত চিন্তাভাবনা। এই ধরনের অ্যাপস মোবাইলের প্লে স্টোর থেকে সহজেই ডাউনলোড করা যাবে। এই অ্যাপস থাকলে জরুরী পরিষেবার সময় তাতে আবেদন করলে বাড়ির সামনে পৌঁছে যাবে অ্যাম্বুলেন্স,পাওয়া যাবে চিকিৎসক। আর তাতেই নতুন পথের দিশা দেখাচ্ছে এই অ্যাপসের মাস্টার সৌরভ ভুঁইয়া। এদিন খড়গপুর রূপনারায়ণ পুরের একটি বেসরকারি হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই অ্যাপসের পথ চলা শুরু হয় হলো। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন স্বনামধন্য চিকিৎসক,নার্স সহ স্বাস্থ্য পরিষেবায় জড়িত মানুষ জন। পাশাপাশি উপস্থিত হয়েছিলেন পিংলার বিধায়ক অজিত মাইতি,প্রাক্তন পৌর প্রধান প্রদীপ সরকার, সমাজসেবী দেবাশীষ চৌধুরী, চন্দন বোস সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। উদ্যোক্তাদের দাবি মহামারী কোরোনার সময় মানুষ এই জরুরি পরিষেবা না পেয়ে ভয়ঙ্কর সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল।

আর তাতেই বহু মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল, অনেকে হারিয়ে ছিল প্রিয়জনকে। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই অ্যাপস এর ভাবনা চিন্তা। যদিও প্রথমে এটা কাজ করবে খড়গপুর মহকুমা ভিত্তিক।পরবর্তীকালে জেলা রাজ্য-জুড়ে কিভাবে কাজ করা যায় তাও ভাবনা চিন্তা নেওয়া হচ্ছে।

এই বিষয়ে অ্যাপস উদ্যোক্তা সৌরভ ভূঞ্যা বলেন, “মহামারি Covid এর সময় বহু মানুষকে এই জরুরী পরিষেবা পাওয়ার জন্য আকুতি মিনতি করতে দেখেছি এবং শুনেছি।তাই এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই ধরনের অ্যাপসের ভাবনাচিন্তা। যা করতে সময় লেগেছে প্রায় ছয় থেকে আট মাস। এই এক অ্যাপসের এর মধ্য দিয়ে মানুষ একইসঙ্গে ডাক্তার অ্যাম্বুলেন্স, অর্গানাইজেশন,ব্লাড ব্যাংক এবং সময়মতো অক্সিজেন পেয়ে যাবে। প্রথমে আমরা খড়গপুর জুড়ে এই অ্যাপস এর কাজ করব, সুবিধা দেব। পরবর্তীকালে ভাবনা চিন্তা রয়েছে আরও বড় কিছু করার। আমরা আশাবাদী এই অ্যাপস মানুষের মধ্যে সাড়া ফেলবে।”