Midnapore Matrima: ‘এটা মাতৃমা নয় এটা মৃত্যুপুরী’ ফের রোগী মৃত্যুর অভিযোগ হাসপাতালের মাতৃমার বিরুদ্ধে! বিভাগীয় তদন্তের আশ্বাস কলেজ সুপারের

Share

মেদিনীপুর 21 সে ফেব্রুয়ারি:

মাতৃমা নয় এটা মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে বলে রোগী মৃত্যু নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রসূতির পরিবার। ফের প্রসূতি মৃত্যু মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যা নিয়ে উত্তেজনা ঘটনাস্থলে পুলিশ। অন্যদিকে বিভাগীয় তদন্ত করে খতিয়ে দেখার আশ্বাস কলেজ সুপারের।

ফের প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ উঠল মেদিনীপুর হাসপাতালের মাতৃমার বিরুদ্ধে যা নিয়ে ফের উত্তেজনা এক প্রস্থ। রোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত কুড়ি ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে চারটা নাগাদ প্রসূতি কে ভর্তি করা হয় মাতৃমাতে। এরপর সকাল দশটা নাগাদ বাচ্চা ডেলিভারি হয়। বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পর মা এবং শিশু দুজনেই স্বাভাবিক থাকে বলে পরিবারের দাবি। এরপর পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন ওই প্রসূতির কাটা ক্ষতস্থান সেলাই করেনি দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীরা। যার দরুন ব্যাপক পরিমাণে রক্তপাত ঘটে। আনুমানিক রাত্রে আটটা নাগাদ অবশেষে মৃত্যু ঘটে এই প্রসূতির। এই ঘটনায় রোগী অসন্তোষ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে রোগীর পরিবার-পরিজনদের মধ্যে।তারা এ বিষয়ে অভিযোগ জানায় মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুপার এবং আধিকারিকদের। পাশাপাশি অভিযোগ জানানো হয় কোতোয়ালি থানায়।

পরিবারের দাবি চিকিৎসার গাফিলতির জন্য মৃত্যু ঘটেছে তাদের পরিবারের মহিলার। যার জন্য এই চিকিৎসকের এবং সেবিকাদের উপযুক্ত শাস্তি দরকার। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, তারা এও দাবি করেন তাদের জন্ম নেওয়ার সদ্যজাত এই সন্তানের শারীরিক অবস্থাও ধীরে ধীরে খারাপ হচ্ছে। তাদের এও অভিযোগ বাচ্চার চিকিৎসকে দেখানোর পর চিকিৎসক তাদের বলেছেন জোর করে টেনে বার করা হয়েছে এই সদ্যজাত কে যার জন্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে শারীরিক গঠনগত। যদিও এই নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতালের মাতৃমা চত্বরে। এই ঘটনায় ছুটে আসে পুলিশ প্রশাসন। যদিও এই ঘটনায় তদন্ত করে দেখা হবে বলে দাবি করেছেন হাসপাতাল অধিকর্তা।

এই নিয়ে রোগীর পরিবারের অভিযোগ,”যখন আমরা রোগীকে ভর্তি করি তখন রোগী সুস্থ স্বাভাবিক ছিল এবং সদ্যজাত কে জন্ম দেওয়ার পর প্রসূতি মা সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে কথা বলেছে। পরবর্তীকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে।আমরা বারবার চিকিৎসককে জানালেও কোন ব্যবস্থা করেনি তারা। দীর্ঘক্ষণ বিনা চিকিৎসায় ফেলে রাখা হয় প্রসূতি মাকে। এর ফলে মৃত্যু ঘটেছে এই প্রসূতির। পাশাপাশি রোগীর পরিবার লোকজন অভিযোগ করেন এটা মাতৃমা নয়, এটা মৃত্যু পুরীতে পরিণত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেড় হাজার টাকা বেকারদের দিয়ে এভাবে সাধারণের জীবনের ছিনিমিনি খেলছেন।

যদিও অন্যদিকে অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ সুপার ইন্দ্রনীল সেন। তিনি এদিন বলেন ঘটনাটা খুবই দুঃখজনক কিন্তু চিকিৎসা করতে গেলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও তিনি দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন গত এক দেড় বছরে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রসূতি মৃত্যু অনেকটা কমেছে। তবে এক্ষেত্রেও অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে এবং বিভাগীয় তদন্ত করা হবে বলে তিনি জানান।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in