
নিজস্ব প্রতিনিধি,কেরানিচটি:
প্রকাশ্য দিবালোকে পেট্রোল ঢেলে যুবককে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা।সেই আগুন থেকে বাঁচতে উলঙ্গ হয়ে দৌড়াচ্ছে যুবক।যদিও ঘটনা সরজমিনে খতিয়ে দেখতে পুলিশ প্রশাসন।পুলিশের মতে ব্যবসায়িক শত্রুতার জায়গায় এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।ইতিমধ্যে এই ঘটনায় মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি আক্রান্ত যুবক,তদন্তে পুলিশ।

প্রকাশ্যে দিবালোকে উলঙ্গ অবস্থায় দৌড়াচ্ছে যুবক গোটা গায়ে আগুন দোকানে আগুন,একমাত্র চেষ্টা বাঁচার।এরকমই এক ছবি দেখা হল মেদিনীপুরে এই দিন। পরিবার সূত্রে জানা যায় মেদিনীপুর শহরের কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত কেরানি চটি এলাকায় সুরজিৎ সাউ নামে বছর ৩৪ এর এক যুবকের লটারি ও পান দোকান রয়েছে।এইদিন সে যখন এই দোকানে ছিল সে সময় কয়েকজন দুষ্কৃতি বোতলে করে পেট্রোল নিয়ে এসে হঠাৎ এর দোকানে হামলা চালায়।কিছু বোঝার আগেই গোটা দোকানে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয় সেই যুবকেরা।ঘটনাস্থলে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে দোকান পুড়ে যায় কম্পিউটার হাজার হাজার টাকার লটারি।এই আগুন লেগে যায় এই যুবকের গায়ে। সুরজিৎ সাউ রায় নামে ওই দোকানে থাকায় যুবক তখন প্রাণপণে বাঁচার তাগিদে গোটা রাস্তা জুড়ে দৌড়ে থাকে। পরনে জামা কাপড় খুলে গোটা রাস্তায় দৌড়াতে থাকে সে।

এরপর স্থানীয়দের চেষ্টায় একটি গাড়ির করে এই আক্রান্ত যুবককে নিয়ে আসা হয় মেদিনীপুর কলেজে হাসপাতালে।ইতিমধ্যেই এই আক্রান্ত যুবক মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।যদি ওই ঘটনার খবর পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে মেদিনীপুর কোতয়ালি থানার পুলিশ প্রশাসন।

এ বিষয়ে আক্রান্ত পরিবারের কাকা সঞ্জিত প্রধান
বলেন,”আমি যখন আসছিলাম তখন দেখি আমারই সম্পর্কের ভাইপো উলঙ্গ অবস্থায় আগুন নিয়ে দৌড়াচ্ছে রাস্তায় রাস্তায়। ওদের একটি লটারি ও পান দোকান রয়েছে।পাশেরই একটি ইডলি দোকানের সঙ্গে ওদের শত্রুতার রয়েছে।আমাদের অনুমান এই শত্রুতা জেরে ওকে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে কিছু দুষ্কৃতী।
অন্যদিকে ভাই সুশান্ত রাণা বলে,ওদেরকে আমরা বলেছিলাম ওখানে ব্যবসা না করতে।ওরা সেই কথা শুনে নি।সেই রাগেই হয়তো এই ঘটনা ঘটিয়েছে

যদিও এ বিষয়ে এক পুলিশ আধিকারীদের মতে ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে।যদি এখনো সেই ভাবে অভিযোগ জমা পড়েনি।ব্যবসায়ী শত্রুতার জেরে একজন আরেকজনের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়।তবে আমরা বিষয়টা খতিয়ে দেখছি। যদিও শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবরে ওই আক্রান্ত যুবকের অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য।