Sindur Oparation Park:অভিযানকে স্মরণীয় করতে ‘সিঁদুর অপারেশন মেমোরিয়াল পার্ক’তৈরির উদ্যোগ!পার্ক হবে পাক সীমান্তে

Share

নিজস্ব প্রতিনিধি,গুজরাট:

সন্ত্রাসবাদকে খতম করতে ভারতের মোক্ষম জবাব ‘অপারেশন সিঁদুর’।এবার পাক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংসে ভারতের এই সফল অভিযানকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশেষ মেমোরিয়াল পার্ক তৈরির উদ্যোগ নিল গুজরাট সরকার।পাক সীমান্তে তৈরি করার ভাবনা-চিন্তা প্রশাসনের আধিকারিকদের।

অবশেষে অপারেশনকে স্মরণীয় করে তুলতে পার্ক তৈরি ভাবনা-চিন্তা পাক সীমান্ত লাগোয়া।এই উদ্যোগ নিচ্ছে গুজরাট সরকার।সরকারি সূত্রে খবর, পাক সীমান্ত লাগোয়া গুজরাটের কচ্ছ জেলায় তৈরি হতে চলেছে ‘অপারেশন সিঁদুর’ মেমোরিয়াল পার্ক ‘সিঁদুর বন’।আগামী এক বছরের মধ্যেই এই পার্ক তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা গুজরাট সরকারের। ইতিমধ্যেই পার্ক তৈরির প্রাথমিক কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কচ্ছের জেলাশাসক আনন্দ প্যাটেল জানিয়েছেন, পাকভূমে বেড়ে ওঠা সন্ত্রাসবাদকে শায়েস্তা করতে ভারতীয় সেনার যে বীরবিক্রম ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ দেখা গিয়েছে তাকে সম্মান জানাতেই তৈরি হচ্ছে এই পার্ক। সেনা, নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনাকে একত্রে শত্রুর বিরুদ্ধে কাজ করতে দেখা গিয়েছে এই অভিযানে। সেই একতাকেই সম্মান জানাতে এই মেমোরিয়ালের তৈরির পরিকল্পনা।

এ ছাড়া পহেলগামে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারানো ২৬ নিরীহ নাগরিককেও উৎসর্গ করা হবে এই পার্ক।

কোথায় হবে এই পার্ক?

‘সিঁদুর বন’ তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই বনবিভাগের সঙ্গে আলোচনা করেছে রাজ্য সরকার বলে জানিয়েছেন আনন্দ প্যাটেল।এর জন্য ভুজ-মাণ্ডভি সড়কের
ধারে মির্জাপারের আট হেক্টর জমিকে প্রাথমিক ভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বনবিভাগের এই জমিতেই তৈরি হবে অতি ঘন জঙ্গল। ‘সিঁদুর বন’-এর এই অংশের নাম রাখা হবে ‘বন কবচ’। উল্লেখ্য, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর প্রথমবার যে জায়গায় সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সেই জায়গাও ‘সিঁদুর বন’-এর জন্য বাছাই করা অঞ্চলের মধ্যেই পড়ছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে কচ্ছের প্রধান বন সংরক্ষক সন্দীপ কুমার বলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর স্মরণে তৈরি ‘সিঁদুর বন’-এর আট হেক্টর জমিতে ভেষজ, গুল্ম এবং ঘন জঙ্গলে পরিণত হবে এমন গাছ পোঁতা হবে।

গোটা পার্ক জুড়ে এরকম ছোট ছোট বন কবচ তৈরি করা হবে। প্রত্যেক বন কবচ-এর পাশেই দেওয়ালে সেনা, বায়ুসেনা ও নৌবাহিনীর বিভিন্ন কীর্তি ও অ্যাকশনের ছবি আঁকা হবে। বিশেষত, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ব্যবহৃত অস্ত্র, ড্রোন, বিমান যুদ্ধের দৃশ্যেও ফুটিয়ে তোলা হবে।’ এখানেই শেষ নয়, বনবিভাগের কর্তার কথায়, বন কবচ-এর জন্য প্রত্যেক হেক্টরে প্রায় ১০ হাজার গাছের চারা পোঁতা হবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভুজ বিমান ঘাঁটির রানওয়ে মেরামত করতে মাধাপারের যে মহিলারা এগিয়ে এসেছিলেন, তাঁরা ২৬ মে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁকে ‘সিঁদুর গাছ’ নামে একটি চারা গাছও উপহার দেন তাঁরা। এমন উপহারে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন গাছটি তিনি তাঁর সরকারি বাসভবনে নিয়ে গিয়ে রোপণ করবেন।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in