
নিজস্ব প্রতিনিধি,গুজরাট:
তিনি পরিচিত ছিলেন বারো নম্বরে। ১২ নম্বরটির সঙ্গেও রূপাণীর দৃঢ় সংযোগ খোঁজার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। জানা দিয়েছে,লন্ডন গামী বিমানে তাঁর আসন নম্বর ছিল ১২ এবং বোর্ডিং সময় ছিল দুপুর ১২টা ১০ মিনিট।

অদ্ভুত সমাপতন।একাধিক গাড়ির নম্বর প্লেটে ছিল ১২০৬ নম্বরটি। ওই একই তারিখে অর্থাৎ জুন মাসের ১২ তারিখে (১২-০৬-২০২৫) মৃত্যু হল গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বিজয় রূপাণীর। বৃহস্পতিবার অহমদাবাদের সর্দার বল্লভভাই পটেল বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরুর পাঁচ মিনিট পরেই ভেঙে পড়ে লন্ডন গামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ডিজিসিএ) জানিয়েছে, বিমানটিতে ২৪২ জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২৩০ জন যাত্রী এবং ১২ জন বিমান কর্মী। এক জন বাদে বাকি সকলেরই মৃত্যু হয়েছে ওই দুর্ঘটনায়। ওই বিমানেই ছিলেন রূপাণী। দুর্ঘটনায় তাঁরও মৃত্যু হয়েছে।বিজয়ের মৃত্যুর পরেই ১২০৬ নম্বরটি নিয়ে সমাজ মাধ্যম জুড়ে হইচই পড়েছে।নেটাগরিকদের একাংশের দাবি, রূপাণীর একাধিক গাড়ির রেজিস্ট্রেশন প্লেটে ওই একই নম্বর ছিল, ১২০৬।

দাবি,গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর জীবনে প্রথম যে গাড়িটি কিনেছিলেন তার নম্বর ছিল ১২০৬। এর পরেই তাঁর জীবনে সাফল্য আসে। নেটাগরিকদের অনেকে মনে করছেন,সেই কারণেই ১২০৬ রূপাণীর প্রিয় নম্বর ছিল।পরবর্তী কালে অন্য গাড়িতেও ওই নম্বর বসিয়ে ছিলেন তিনি। কেউ কেউ দাবি করছেন, ১২০৬-এর প্রতি তাঁর প্রীতি এমনই ছিল যে, তাঁর মোবাইল নম্বরের শেষেও নাকি ওই নম্বর ছিল। অন্য দিকে, তাঁর মৃত্যু হয়েছে ১২ জুন। জুন বছরের ছ’নম্বর মাস। তাই সংখ্যায় লিখলে দাঁড়ায় ১২/০৬। আর তা নিয়েই দু’য়ে দু’য়ে চার করতে শুরু করেছেন নেটাগরিকেরা।

এই নিয়ে অনেক পোস্টও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে হয়েছে। পোস্ট করা হয়েছে একাধিক ছবি। উঠে এসেছে একাধিক দাবি।