FoodFestival:পড়াশোনার সঙ্গে বাস্তবের মেল বন্ধন করাতে খাদ্যমেলার আয়োজন!ফুচকা, পিঠে-পুলি বিক্রি করে হাজার হাজার টাকা আয় পড়ুয়াদের

Share

মেদিনীপুর 9 ই জানুয়ারি:

প্রথম বছরের পর দ্বিতীয় বছরে খাদ্য মেলার আয়োজন মেদিনীপুর কলিজিয়েট বালক বিদ্যালয়ের। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেনীর পড়ুয়ারা মেলায় নিয়ে এলো ফুচকা,আলুকাবলি,ঘুগনি,চাওমিন সহ ফ্রাইড রাইস চিলি চিকেন।ঘন্টা খানেকের মধ্যে শেষ হলো তাদের স্টলের খাবার।সেই খাবার চেখে দেখলো
পড়ুয়াদের সঙ্গে শিক্ষক শিক্ষিকারা।

এবার খাদ্য মেলায় পড়ুয়ারা,দেদার বিক্রি করল ফুচকা ঘুগনি,পিঠে পায়েস এবং ফ্রাইড রাইস ও চিলি চিকেন। এরকমই ছবি দেখা গেল শুক্রবার মেদিনীপুর শহরের মেদিনীপুর কলিজিয়েট বালক বিদ্যালয়ে। মূলত এ বছর দ্বিতীয় বছর খাদ্য মেলার আয়োজন করেছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। যাতে অংশ নিতে দেখা যায় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের। কেউ বানিয়েছে ঘুগনি ফুচকা তো কেউ বানিয়েছে আলু কাবলি এবং পিঠে পুলি। কেউ কেউ আবার ফ্রাইড রাইস,চিলি চিকেন।যা নিয়ে স্কুলের চেহারা রীতিমতো উৎসব মুখর। দোকানের স্টল বসতেই ঝাঁপিয়ে পড়লো খুদে খুদে পড়ুয়া সহ শিক্ষক-শিক্ষিকা এমনকি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সহ সবাই।নিমিষের মধ্যে বিক্রি হয়ে গেল পড়ুয়াদের স্টলের সেই খাবার।দাম রাখা হয়েছিল ঠিক এই ভাবে, ঘুগনি ১০ টাকা, চাওমিন দশ টাকা প্লেট আবার কোথাও কোথাও পিঠের দাম রয়েছে ৫ টাকা থেকে ১৫ টাকা পিস।

সেই সঙ্গে ফ্রাইড রাইস চিলি চিকেন ৩০ টাকার মধ্যে। পড়াশোনার পাশাপাশি এই ধরনের উদ্যোগী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুশি পড়ুয়ারা।রীতিমত প্রফেশনাল রাঁধুনীদের মত মাথায় মাথায় টুপি হাতে গ্লাভস পরে সেই খাবার পরিবেশন করে দিলেন খুলে পড়ুয়ারা আর তা চেটে পুটে সাফ করে দিল পড়ুয়া সহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এ এক অন্য রকম ছবি দেখা গেল মেদিনীপুরের এই স্কুলে।

এই বিষয়ে খুদে পড়ুয়ারা বলেন,”এই ধরনের অভিজ্ঞতা আমাদের নতুন যদিও আগের বছর খাদ্য মেলাতেও আমরা অংশ নিয়েছি এবং আমরা বিভিন্ন রকম খাবার স্টল বানিয়েছিলাম। এবারেও আমরা খাবারের স্টল দিয়েছি। সত্যি খুব ভালো লাগছে। কারন আমাদের বাস্তব জীবনে অভিজ্ঞতা কম ছিল।আজকে হাতে-কলমে বুঝতে পারলাম যে ব্যবসা করা যায় কিভাবে।”

যদিও এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা হিমানী পড়িয়া বলেন,”আজকালের বাচ্চারা তারা বাজারে যায় না জিনিস কেনাকাটা করে না ফলে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা কম।তারা বাবা-মায়ের উপরে নির্ভরশীল। কিন্তু আমরা উদ্যোগ নিয়েছি গত বছর থেকেই যে বাস্তব অভিজ্ঞতা তাদের মধ্যে করাবো। বিশেষ করে জিনিস কেনা বেচা বা কেনাকাটা করার ক্ষেত্রে কোন কোন ক্ষেত্রে সুবিধা অসুবিধাগুলো রয়েছে তা বোঝাপড়ার জন্যই এই ধরনের খাদ্য মেলার আয়োজন। যেখানে আমাদের পড়ুয়ারা তো রয়েছে সেই সঙ্গে তাদের শিক্ষক শিক্ষিকারাও বুঝিয়ে দিচ্ছেন পুরো ব্যাপারটা। আমাদের এবছর দ্বিতীয় বছরে পড়ল এই খাদ্য মেলার।আমরা চাই আগামী দিনে এই সচেতন।পড়ুয়ারা হয়ে উঠুক দেশের ভবিষ্যৎ।



Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in