
ঘাটাল 29 জানুয়ারি:
ট্রাঙ্ক মাথায় নিয়ে এস আই আর এর হেয়ারিং লাইনে ৭১ বছরের বৃদ্ধ, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ঝুলানো রয়েছে একাধিক পরিচয়পত্র থেকে হেয়ারিং নোটিশ, সম্পত্তির দলিল। এক কথায় নীরব প্রতিবাদ।যদিও ট্রাঙ্ক বাইরে রাখতে নির্দেশ দেন দায়িত্বে থাকা পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল ব্লকের অজবনগর দুই গ্রাম পঞ্চায়েতে।এই গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৮৭ নম্বর বুথের ভোটার শেখ জাফর আলী।লজিক্যাল ডিসকিপেন্সিতে ডাক পড়েছে শেখ জাফর আলী কে। ভুল বলতে ভোটার তালিকায় উনার নাম রয়েছে শেখ জাফর আলী শেখ।নামের প্রথমও শেষে শেখ থাকায় ডাক পেয়েছেন হেয়ারিং এ।যার ফলে বিড়ম্বনায় পড়ে বাড়ির সমস্ত দলিল পত্র নিয়ে হাজির এই ৭১ বছরের বৃদ্ধ।যা নিয়ে শোরগোল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,সম্প্রতি কিছুদিন আগে নন্দীগ্রামে এক বৃদ্ধের এসআর এ নোটিশ আসায় সে বাড়ির দলিল পত্র সহ সমস্ত কাগজপত্র ট্রাঙ্কে ভর্তি করে ট্রাঙ্ক নিয়ে হাজির হয়েছিল সরকারি অফিসে। যে ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল গোটা জেলা সহ রাজ্যে।

নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের কেন্দ্যামারী জলপাই গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩০ নম্বর বুথের বাসিন্দা শেখ সইফুদ্দিন হিয়ারিংয়ে ডাক পেয়েছিলেন তাঁর সাতজন ছেলেমেয়ে রয়েছে বলে।যদিও।সেই।ঘটনায় ঠিক কী নথি লাগবে, সেটা বুঝতে না পেরে একটি ট্রাঙ্ক মাথায় করে স্থানীয় পঞ্চায়েত অফিস হাজির হন সইফুদ্দিন। এই দিন একই ঘটনা ঘটলো ঘাটালে।কেন মাথায় ট্রাঙ্ক প্রশ্নের উত্তরে জাফর আলী বলেন, “আমি পড়াশোনা জানি না বাবু।তাই আমার পরিবারের সমস্ত দলিল দস্তাবেজ নিয়ে ট্রাঙ্ক ভর্তি করে আমি নিয়ে এসেছি বিডিও অফিসে, অফিসারেরা প্রয়োজনীয় নথি এখান থেকেই দেখে নিতে পারবেন।”

এস আই আর এর চরম হয়রানির ছবি দেখা মিলছে এখনো ঘাটাল বিডিও অফিসে। এ বিষয়ে বি এল ও বা কমিশনের কোন আধিকারিক বক্তব্য দেননি। তবে পুলিশ কর্মী এসে ওই ব্যক্তিকে ট্রাঙ্ক নিয়ে বিডিও অফিসের বাইরে যেতে বলেন।