
মেদিনীপুর 30 সে জানুয়ারি:
দু’ফুট পাঁচ ফুট নয় এক্কেবারে ৩০ ফুটের ভীম তৈরি করে তাক লাগালো কালগাং মালিয়াড়া এলাকা।বিগত ২০০৭ সাল থেকে তৈরি হওয়া এই ভীম একটু একটু করে গড়ে উঠলো এলাকাবাসীর সাহায্য সহযোগিতা এবং কিছু উৎসাহী যুবকের অক্লান্ত পরিশ্রমে।আর এই ভীম মূর্তিকে নিয়ে রীতিমতো উৎসাহ এলাকার মানুষজনের মধ্যে।

মেদিনীপুরে ত্রিশ ফুটের বৃহদাকার ভীম,যা নিয়ে উন্মাদনা এলাকায়।মেদিনীপুর শহর জেলায় এই ধরনের বিশাল আকৃতির ভীম সাধারণত নেই তাও আবার ঢালাই করা!মূলত মেদিনীপুর শহরের কালগাং মালিয়াড়া এলাকায় ২০০৭ সাল থেকে পঞ্চপান্ডবের অন্যতম পান্ডব ভীম মূর্তি গড়ার জন্য উদ্যোগ নেয় এলাকার কিছু উৎসাহী যুবক।সেই ২০০৭ সাল থেকে একটু একটু করে সকলের সাহায্য এবং চেষ্টায় অবশেষে এ বছর পুরো কমপ্লিট হয়েছে এই ভীম।পাণ্ডব পুত্র এই ভীমের পুজো হলো এদিন উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে।সকালবেলায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ঘট ডুবানো হয়।এরপর সারাদিন চলে যাগযজ্ঞ আচার অনুষ্ঠান পূজার্চনা।সন্ধ্যেবেলায় ভীম একাদশী পুজোর পর অন্নকূট বিতরণ হয়।এই পূজা উপলক্ষে আশেপাশে কয়েকটি এলাকার উৎসাহী ভক্তরা যোগ দেয় এই পুজোয়। এই ভীমের খরচা প্রায় ১০ লক্ষ টাকা হয়েছে এই ক’বছর মিলিয়ে বলে জানান এই পুজো কমিটি উদ্যোক্তারা।পাশাপাশি তাদের বক্তব্য ধর্ম ছাড়া আমরা সমাজে এগোতে পারবো না,তাই যে যার ধর্ম সে তার ধর্ম পালন করবে এটাই আমরা চাই।

এ বিষয়ে উদ্যোক্তা নিরঞ্জন হালদার ও তপন চক্রবর্তী বলেন,”এটা আমাদের বহুদিনের কষ্টের ফল।আমরা দীর্ঘদিন ধরে একটু একটু গড়ে তুলেছি।মূলত মহাভারতের পঞ্চ পাণ্ডবের অন্যতম সাহসী পরাক্রমী যোদ্ধা ছিল ভীম।তাই আমরা সেই ভীমের মূর্তি তৈরি করেছি।এটা সকলের সাহায্য ছাড়া কখন সম্ভব হতো না।আমরা সনাতনী তাই আমরা আমাদের ধর্ম পালন করব।ধর্ম ছাড়া আমরা সমাজে এগোতে পারবো না,তাই যে যার ধর্ম সে তার ধর্ম পালন করবে এটাই আমরা চাই।