
মেদিনীপুর 5 ই জানুয়ারি:
কিশোরী সূচি মাইতি তার জন্মদিন পালন করলেও বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মধ্যে কেক কেটে উৎসবের মধ্য দিয়ে।পরিশেষে কেক খাওয়ানোর পাশাপাশি ছিল তাদের উপহারের ডালি।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন কাউন্সিলার সৌরভ বসু,ইমদাদুল ইসলাম,সুরজিৎ সরকার সহ বিশিষ্ট জনেরা এবং মাইতি পরিবার।

বাবা অনয় মাইতি মেদিনীপুর শহরের একজন বিশিষ্ট সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত।বিশেষভাবে পরিচিত কর্নেল গোলা ৯ নং ওয়ার্ডে।শুধু দুস্থ মানুষদের পাশে বা ওয়ার্ডবাসীদের পাশে থাকা নয় সে সঙ্গে যে কোন জায়গা থেকে অসহায় মানুষ ফোন করলে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।এমনকি তিনি নিজেদের জন্মদিন পালন করার জন্য বেছে নিয়েছেন বৃদ্ধাশ্রমকে।এই বৃদ্ধাশ্রমে মাইতি পরিবারের অনয় মাইতি সহ তার স্ত্রী স্মৃতিকণা মাইতির জন্মদিন যেমন পালন হয়েছে ঠিক তেমনি তার ছেলের শিবমের জন্মদিন পালন হয়েছে এই বৃদ্ধাশ্রমের বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সঙ্গে কেক কেটে।এবার বাবার দেখানো পথে হাঁটলো কিশোরী সূচি।যেমন ভাবা তেমন কাজ।এদিন বাবা-মা ও ভাইকে নিয়ে সূচি চলে এলো মেদিনীপুর বাস স্ট্যান্ডে গড়ে ওঠা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের আশ্রয়ে।এখানেই মোমবাতি জ্বালিয়ে,কেক কেটে তাদের আশীর্বাদ নিয়ে পালন করল সে তার জন্মদিন।

এরপর তাদের যেমন আশীর্বাদে নিল সেইসঙ্গে এই পরিবার পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের হাতে তুলে দিল তাদের প্রয়োজনীয় উপহার।এই অনুষ্ঠানে সূচিকে আশীর্বাদ করতেও উপস্থিত হয়েছিলেন মেদিনীপুর ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তথা সিআইসি সৌরভ বসু,সুরজিৎ সরকার,ইমদাদুল ইসলাম রঞ্জন চৌধুরী সহ বিশিষ্ট মানুষ জনেরা। অন্যদিকে উপস্থিত ছিলেন মাইতি পরিবারের গিন্নি স্মৃতি কণা মাইতি,শিবম এবং অনয় মাইতি।

এ বিষয়ে সূচি বলে,”এই অসহায় মানুষের সঙ্গে একদিন কাটাতে পেরে খুবই খুশি লাগছে।আগামী দিনেও যেন এ বিশেষ দিনটি তাদের সঙ্গে কাটাতে পারি এই কামনা করব।”অন্যদিকে সূচির বাবা অনয় মাইতি বলেন,” আমাদের পরিবারের বার্তা-য় হল মানব সেবা।তাই সেই বার্তা কে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি এবং আমরা চাই এরকম নতুন করার কোন বৃদ্ধাশ্রম যেন তৈরি না হয় যাতে কোন মা-বাবাকে তার পরিবার ছেড়ে বৃদ্ধাশ্রমে আসতে হয়।”