
মেদিনীপুর 2 রা জানুয়ারি:
এবার একই ছাদের তলায় আট বছর থেকে ৮০ বছর মানুষের জিমের সুবিধা নিয়ে এলো ট্রান্সফর্ম 360 জিম প্লাস। এই জিম সেন্টারে যেমন অত্যাধুনিক অক্সিজেন বার সুবিধা থাকছে ঠিক তেমনি শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা সমাধানে থাকছে স্টিম বার্থ। বছরের প্রথম দিনে মেদিনীপুরের বিধায়ক সুজয় হাজরার হাত ধরে এই জিম সেন্টারের উদ্বোধন।
এই প্রথম বার মেদিনীপুরে অক্সিজেন বার নিয়ে উদ্বোধন হলো 3000 স্কোয়ার ফিটের ট্রান্সফর্ম থ্রি সিক্সটি জিম প্লাসের।এই জিম সেন্টারটির উদ্বোধন করেন মেদিনীপুরের বিধায়ক সুজয় হাজরা। এদিন এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনি ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করেন।এছাড়াও ছিলেন এইদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেদিনীপুরে বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উদ্যোক্তাদের তথ্য অনুযায়ী এখানে আট থেকে আশি বয়সের যে কোন মানুষই জিম করতে পারবেন স্বচ্ছন্দে। এই সেন্টারে স্ট্রীম বার সহ অত্যাধুনিক ব্যবস্থা থাকছে ,থাকছে ফুড কোর্টের ব্যবস্থা। উন্নত মানের যন্ত্রপাতি সহ থাকছে সেফটি মানের ব্যবস্থা। এই জিম সেন্টারের উদ্বোধন করতে এসে বিধায়ক সুজয় হাজরা বলেন প্রতিটা মানুষকে তার শরীর সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

বিশেষ করে আজকের দিনে যেখানে ফাস্টফুড খেয়ে অভ্যস্ত মানুষজন তাদেরকে স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উড়তে হবে। পাশাপাশি তিনি ও বলেন এই ধরনের অত্যাধুনিক সজ্জিত জিম মেদিনীপুরে কমই আছে। এখানে সকল রকম সুযোগ-সুবিধা রয়েছে শরীর গড়ে তোলার জন্য। যদিও এই সেন্টার নিয়ে মেদিনীপুরের আট থেকে আশির মানুষজনকে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এই ট্রান্সফর্ম থ্রি সিক্সটি জিম প্লাসের অন্যতম উদ্যোক্তা সজল কুমার ঘোষ।এছাড়াও এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন অ্যাডভোকেট মধুমিতা দত্ত,হাসিনা খাতুন,সঞ্জীব বসাক,চৈতালি বসাক,কল্লোল কুইলা,স্বাতী ঘোষ সহ অন্যান্যরা।

যদিও এ বিষয়ে মেদিনীপুরের বিধায়ক সুজয় হাজরা উদ্বোধন করতে এসে বলেন,”মেদিনীপুরে এই ধরনের অত্যাধুনিক জিনিসপত্র দিয়ে সজ্জিত জিম সেন্টার নেই বললেই চলে।পাশাপাশি তিনিও বলেন আজকের যুগে যেখানে ফাস্টফুড এর উপরেই সকল মানুষ মগ্ন সেই জায়গায় এই জিম সেন্টার উদ্বোধনে অনেকটাই উপকৃত হবে জেলার মানুষ। বিজ্ঞানসম্মতভাবে নিয়ম মেনে শরীর চর্চা করতে পারলে ওষুধের প্রয়োজন হবে না মানুষের।”

অন্যদিকে এই সেন্টারের কর্তা সজল কুমার ঘোষ বলেন,”অক্সিজেন বার এবং স্টিম বার্থ আজকের যুগে কোন জিম সেন্টারে নেই। একমাত্র দিল্লির এয়ারপোর্টে এই ধরনের অত্যাধুনিক সুবিধে রয়েছে।জেলা ও শহরের মানুষকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে জিম নিয়ে উৎসাহ দিতে আমাদের এই ধরনের একটি ছোট প্রয়াস হলো এই ধরনের সেন্টার গড়ে তোলা।