SIR 2025:হুলি-গান-ইজম স্রষ্টা অনির্বাণ কে শুনানী তে ডাক, কাগজ কিন্তু আমরা দেখাব-ই!2002 এর তালিকায় নাম নেই পরিবার সহ তার

Share

মেদিনীপুর 27 সে ডিসেম্বর:

একদিকে হুলি-গান-ইজম গিয়ে বিতর্কের মুখে অন্যদিকে সেই গানের লাইনেই কাগজ দেখাবো আমরা দেখাব-ই তে ডাকা হল অনির্বাণ কে।কারণ গানের মধ্য দিয়েই যে তার তালিকায় নাম নেই তা বুঝিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। ২০০২ এর তালিকায় নাম নেই নাম নেই বাবা-মা সহ অন্যান্য কারো। যা নিয়ে প্রশ্নের মুখে অভিনেতার বাসিন্দা হওয়া।

সম্প্রতি একটি গান গোটা রাজ্য এবং দেশজুড়ে ভাইরাল হয়ে ওঠে তা ছিল নতুন চিন্তা ভাবনার “হুলিগানইজম”। যার স্রষ্টা ছিলেন মেদিনীপুরের বিখ্যাত অভিনেতা তথা টলিউডের উর্দিনায়ক অনির্বাণ ভট্টাচার্য সহ তার সঙ্গী সাথীরা। গানটা ঠিক ছিল এরকম

_ কাগজ, কাগজ আমরা দেখাব।
— দেখাবই, দেখাব।
— কারণ, আমাদের কাছে কাগজ আছে।
— ভাই, এসআইআর কী বলছে?
— ঝাড়াই–বাছাই চলছে।

যেই গান গোটা রাজ্য সঙ্গে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয় কারণ এই গানে যেমন এস আই আর নিয়ে বলা হয়েছে তেমনি সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতাদের কে কটাক্ষ করা হয়েছে। দলের অন্যতম মুখ অভিনেতা, পরিচালক, গায়ক অনির্বাণ ভট্টাচার্য।

যদিও অন্যদিকে গানে গানে ‘ফুল না ফুটিয়ে হুল ফোটানোয়’ বিতর্কের মুখেও পড়েছে ‘হুলিগানইজ়ম’। পাশাপাশি এইবার কাগজ দেখাব আমরা দেখাব-ই যে লাইন তিনি গেয়েছেন সেই লাইনেই তাকে বিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। কারণ ২০০২ এর তালিকায় নাম নেই অনির্বাণ এর।এমনকি তার মা-বাবা সহ কারো নাম নেই সেই তালিকায়। সূত্র অনুযায়ী জানা যায় ১৯৮৬–এর ৭ অক্টোবর মেদিনীপুরে জন্মেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য্য। তাঁর বাড়ি মেদিনীপুর পৌরসভার ২৩ নাম্বার ওয়ার্ডের শরৎপল্লিতে। ছোটবেলার লেখাপড়া লেখাপড়া নির্মল হৃদয় আশ্রম(চার্চ)ও পরে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু বড় হওয়ার পর তিনি মা, বোনকে নিয়ে থাকেন কলকাতার গড়িয়ায়।যদিও এখনও তাঁর নাম থেকে গিয়েছে মেদিনীপুর শহরের ভোটার তালিকায়। পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের ২৯৯ নম্বর বুথের ভোটার তিনি। স্বাভাবিক ভাবেই শরৎপল্লির বাড়িতে এনিউমারেশন ফর্ম নিয়ে হাজির হয়েছিলেন বিএলও সেই ফর্ম পূরণও করেন অভিনেতা।

কিন্তু ২০০২–এর ভোটার তালিকায় নাম নেই অভিনেতার। নেই বাবা–মা, দাদু-ঠাকুমারও নাম। কিন্তু ২০২৫–এ বাবা-মায়ের নাম রয়েছে ভোটার তালিকায়। বাবা প্রদ্যোৎকুমার গত ৬ জুলাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান অনির্বাণের গড়িয়ার বাড়িতেই।যদিও এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে অনির্বাণ বলছেন, ‘গোটা বিষয়টি আমার জেঠু দেখছেন।আমি এখন মা ও বোনকে নিয়ে কলকাতায় থাকি। শুনানিতে ডাকলে সকলেই যাব।’

অন্যদিকে অভিনেতার জেঠু বিদ্যুৎ ভট্টাচার্যের কথায়, বুঝতে পারছি না ‘২০০২ এ ভাই কেন ভোটার তালিকায় নাম তোলেনি। যদিও তিনি উল্লেখ করেন ওই সময়ে বাবা-মা অর্থাৎ অনির্বাণের দাদু-ঠাকুমারও মৃত্যু হওয়ায় ২০০২–এর তালিকায় তাঁদের নামও ছিল না। আমি এলাকার তিনটি বুথেরই তালিকা দেখেছি। কিন্তু ভাইয়ের নাম খুঁজে পাইনি। সে সময়ে তো এত জটিলতা ছিল না। তবে এ বার যাতে অনির্বাণ ও পরিবারের সকলের নাম থাকে সে জন্য উদ্যোগী হই।’তখনই তিনি জানতে পারেন, খসড়া ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও শুনানিতে ডাকা হবে অনির্বাণকে। যদিও কবে ডাকা হবে সে বিষয়ে তিনি বলতে পারেন নি।ডাকা হলে তিনি জানাবেন বলেও জানান।

যদিও এ বিষয়ে মেদিনীপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খানের কোথায় এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।একজন বিখ্যাত মেদিনীপুরের অভিনেতার নাম নেই ভোটার তালিকায়,যা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। জন্যই আমরা বারবার বলেছি নির্বাচন কমিশন থেকে অনেকেরই নাম বাদ দেওয়া হয়েছে,যা ঠিক করা হয়নি।
যদিও এ বিষয়ে মেদিনীপুরের সদর মহকুমা শাসক তথা ERO মধুমিতা মুখার্জী বলেন,”তাকে ডাকা হয়েছে মানে তার যে কোন ডকুমেন্টস ছিল না এটা না।নির্বাচন কমিশন অনুযায়ী এগারোটা যে তথ্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে কিছু না কিছু তার কাছে ছিল।তবে তালিকায় নাম নেই এমনি বহু ঘটনা রয়েছে।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in