
নিজস্ব প্রতিনিধি,বল্লভপুর:
ছিল পুকুর,রাতারাতি হয়ে যাচ্ছে সমতল।আর তাই ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষজন বাধ্য হয়ে অভিযোগ জানালেন পৌরসভা সহ সরকারি দপ্তরে। দাবি একটাই ১৭ নম্বরে ওয়ার্ডের বল্লভপুরের এই কারবালার ১৩ ডেসিমেলের পুকুর তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হোক পুকুরে।

ঘটনা মেদিনীপুর শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বল্লভপুর মৌজার নতুন বাজার কারবালা এলাকার।অভিযোগ কারীর মতে,কারবালার এই রাস্তার ভেতরে ১৩ ডেসিমেমেলের উপরে এটি পুকুর ছিল। যেই পুকুরে জল ব্যবহার করতো এলাকার এবং আশেপাশের মানুষজন।কিন্তু গত ছয় মাস ধরে সেই জল আর জল নেই।তার জায়গায় রাবিশ ঢেলে ঢেলে পরিণত হয়েছে শুকনো ডাঙাতে।এরই সঙ্গে কচুরিপানা ঢেকে গিয়ে পুকুর পরিণত হয়েছে নালাতে।প্রোমোটারদের দখলে গিয়ে সেই পুকুর এবার ভরাট হওয়ার অপেক্ষায়।যদি ওই ঘটনায় নড়ে চড়ে বসে এলাকার মানুষজন।তারা তড়িঘড়ি অভিযোগ জানান পৌরসভা এবং জেলা প্রশাসনের কাছে।যদিও এই অভিযোগ হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি,তাই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী চাইছেন তাদের এই পুরনো পুকুর তাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।কারণ দিনের পাশাপাশি রাতের অন্ধকারেও মাটি ইটের টুকরো ময়লা দিয়ে ভরাট করা চলছে পুকুরের।সেইসঙ্গে টিন দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে চারিপাশ।যদিও এই অবস্থায় পুকুর কিনে ফেলা ক্রেতার দাবি তিনি পুকুর দেখে কিনেছেন,এখনো ভরাট করেননি।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী আব্দুল আজিজ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এটি পুকুর ছিল।এই পুকুরের জল এলাকার মানুষ ব্যবহার করত।কিন্তু গত ছ মাস ধরে দিনের পাশাপাশি রাতের অন্ধকারে বেশ কিছু এলাকার শিক্ষক প্রোমোটার এই পুকুরটি কে কিনে নিয়ে ভরাট করার কাজ চালাচ্ছেন।পুরো পুকুরটা টিন দিয়ে ঘিরে ফেলে দিয়েছেন সেই সঙ্গে ভরাট করে ফেলছেন তারা। আমরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানিয়েছি,তাও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন।এইভাবে যদি জলাশয় ও পুকুর ভরাট চলে তাহলে অকালে ধ্বংস হয়ে যাবে জনজাতি।আমাদের দাবি ফিরিয়ে দেওয়া হোক আমাদের পুকুর।


যদিও এ বিষয়ে পাল্টা সাফাই গেয়েছেন এই পুকুর কেনা মালিক কর্তৃপক্ষ।এ বিষয়ে ক্রেতা শিক্ষক সাগর চন্দ্র মাইতি বলেন”আমি যখন এই জায়গাটা কিনি তখন পুকুর ছিল।এরপর আমি আস্তে আস্তে এটাকে কিছুটা পরিষ্কার করে মাটি ফেলেছি।সেই সঙ্গে এই জলাশয় কে টিন দিয়ে ঘিরে ফেলেছি যাতে পাড় না ধসে যায়।তবে আমি পুকুর ভরাট করতে চাইনি,যেটুকু করেছি নোংরা সাফাই করেছি।