
শ্রীনগর 11 ই মার্চ :
বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রা-র ডাক দিয়েছিল,যা শুরু হয়েছিল ১ তারিখ,সেই যাত্রা আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার চন্দ্রকোনার শ্রীনগরে জনসভার মাধ্যমে শেষ হল মঙ্গলবার অর্থাৎ ১০ তারিখ সন্ধ্যায়।এই পরিবর্তন যাত্রার কর্মসূচিতে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় সিনহা, প্রাক্তন সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী,রাজ্যের যুব সভাপতি ডঃ ইন্দ্রনীল খান, শশী অগ্নিহত্রী,সহ চন্দ্রকোনা বিধানসভা এলাকার বিজেপির বিভিন্ন নেতা কর্মীবৃন্দরা।

এইদিন মঞ্চ থেকে বিজেপির নেতা নেতৃত্বরা তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিম ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের কটাক্ষ করেন এবং সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে পরিবর্তনের ডাক দেন।তারা বলেন বিজেপিকে ভোট দিলে সরকারি চাকরি ও নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে বিজেপি। বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। যদিও এইদিন প্রধান বক্তা ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহা। তিনি বিকেল দুপুর নাগাদ চপারে করে মেদিনীপুরে পৌঁছান। এরপর পরির্বতন যাত্রায় যোগ দেন। এইদিন তিনি সভা মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যেমন শাসক।দল তৃণমূল কে কটাক্ষ করেন ঠিক তেমনি সভা শেষ করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একই কটাক্ষ করেন।

তিনি বাংলায় ভোট নিয়ে বলেন,”দীর্ঘ বিলম্বের পর আজ যেভাবে মানুষ পুরোপুরি একজোট হয়ে বসে আছে, এটা পুরো বাংলার ভাব কে তুলে ধরছে এবং বাংলা ভারত এর সংস্কৃতি এবং সংস্কার কে বাড়ানোর সংকল্প নিয়ে ফেলেছে। তিনি অনুপ্রবেশকারী নিয়ে মমতা কে কটাক্ষ করতে গিয়ে বলেন,যেসব অনুপ্রবেশকারীর জন্য মানুষ বাংলাকে বদনাম করছে, সাংবিধানিক পদে বসে সাংবিধানিক মর্যাদা কে লঙ্ঘন করছে, এটা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা দিদির একদম অশোভনীয়। দেশের রাষ্ট্রপতির অপমান করা, নির্বাচন কমিশন কে কালো পতাকা দেখানো, সংবিধান এবং সাংবিধানিক পদের লোকের ওপর বিশ্বাস না থাকা – এই মানুষ গুলো লোকতন্ত্র এর রক্ষক নয়, এরা লুটতন্ত্র এর রক্ষক এবং অনুপ্রবেশকারীদের, অপরাধীদের এবং দুর্নীতিবাজ দের সংরক্ষক। এরকম মানুষ লোকতন্ত্র এর হিতৈষী হতে পারে না। পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি সংস্কার এর ওপর আঘাত করা লোকজন কে হারিয়ে বাংলার ভাই ও বোনেরা জয় করবে। সেই সঙ্গে তারা স্বামী বিবেকানন্দের সেই ভবিষ্যৎ বাণী কে সফল করবে। তিনি। আশা করেন একবিংশ শতাব্দী ভারতের হবে, ভারত বিশ্বগুরু হবে, তার ধ্বজাবাহক বাংলা হবে এবং বাংলার জনতা সেই ধ্বজা পুরো দেশকে গর্বিত করবে।”

মূলত পরিবর্তন যাত্রা উপলক্ষে এদিন বিহার থেকে তিনি চপারে করে এসেছিলেন মেদিনীপুরে।