Debra Bandha:বনধে যোগ দেওয়ার আগেই গ্রেফতার বিজেপি জেলা সভাপতি সহ 11 নেতা কর্মী!কোর্টে নিয়ে যাওয়ার সময়”নির্লজ্জ পুলিশ” বলে অভিযোগ বিজেপি নেতার

Share

নিজস্ব প্রতিনিধি,মেদিনীপুর:

আদিবাসি শিক্ষক মৃত্যুর ঘটনায় বিজেপির তরফে ৬ ঘন্টার ডাকা ডেবরা বন্ধের সমর্থনে গতকাল মিছিল করেছিলেন বিজেপি নেতৃত্বরা। ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তন্ময় দাস সহ প্রায় ১১ জনকে গতকালই আটক করেছিল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ।আটক করে তাদের এনে রাখা হয়েছিল মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানায়। আজ শনিবার ধৃতদের নেওয়া হলো আদালতে। এদিন বেলা প্রায় সাড়ে এগারোটা নাগাদ মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানা থেকে প্রীজন ভ্যানে তুলে কোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হল তাদের।যাওয়ার সময় পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান বিজেপি নেতাদের।

সম্প্রতি এক আদিবাসী নেতার মৃত্যু হয়েছে ডেবরাতে। অভিযোগ ওই আদিবাসী নেতার মৃত্যুর কারণ জেলা আবগারি দফতর।এই ঘটনায় দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ওই এলাকার আদিবাসী সমাজ। রাস্তা অবরোধ থেকে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন সব দিয়েছেন তারা।তারপরও দোষীরা অধরা বলে দাবি তাদের।এই ঘটনায় তাদের পাশে দাঁড়াতে এবার শনিবার ৬ ঘন্টার ডেবরা বনধের ডাক দিয়েছিল বিজেপি।রীতিমতো শুক্রবার থেকেই আয়োজন করা হয়েছিল এই বনধের কর্মসূচি বিষয় নিয়ে।আর তাতেই জড়ো হয়েছিল বিজেপি ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তন্ময় দাস সহ বিজেপি নেতা কর্মীরা।কিন্তু বিজেপির অভিযোগ গতকাল বিকেল থেকেই তাদের জেলা সভাপতি তন্ময় দাস সহ একাধিক নেতাকর্মীকে আটক করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। এরপর তাদের নিয়ে আসা হয় কোতোয়ালি থানায়।

এদিন সকালবেলায় তাদের কোতোয়ালি থানায় দেখা করতে আসার কথা ছিল বিজেপি রাজ্য সভাপতি সমীক ভট্টাচার্য এর।যদিও তা দেখা করার আগেই কোতোয়ালি থানা থেকে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় খড়্গপুর হাসপাতালে।সেখানে মেডিকেল করে তারপর তাদের কোর্টে পাঠানো হয়।যদিও এই নিয়েই চাঞ্চল্য উত্তেজনা ছড়িয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকায়।বিজেপি নেতা তন্ময় দাসের দাবি নির্লজ্জ পুলিশ প্রশাসন আদিবাসী নেতা মৃত্যুতে খুনিদের গ্রেপ্তার না করে বরং নিরীহ বিজেপি নেতা কর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে।এর তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি।

যদিও এই নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে বিজেপি।বিজেপি সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ রায় বলেন,”এই আদিবাসী সমাজের পাশে থাকতে এবং তাদের নেতা খুনের খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এই বনধের ডাক দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন তার আগে আমাদের জেলা সভাপতিসহ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে।এখন তাদের মেডিকেল করিয়ে কোর্টে চালান করবে।আমরা এ পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানাই।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,গোটা রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় অনগ্রসর সম্প্রদায় গুলি বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।যাদের বেশিরভাগ অভিযোগই পুলিশের বিরুদ্ধে। যদিও এই আদিবাসী শিক্ষক নেতা খুনে দোষীরা এখনো অধরা বলেই অভিযোগ তাদের।আর যার জন্য বিজেপি এই বনধ ডেকেছিল।যদিও এদিন মেদিনীপুরের বিজেপি রাজ্য সভাপতি সমীক ভট্টাচার্য আসার কথা থাকলেও তিনি শেষ পর্যন্ত না এসে খড়্গপুরে আসেন।তাদের সঙ্গে দেখা করে তিনি ঝাড়গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in