Ludo Book : এবার ছক্কা লুডুর উপর ভরসা করে প্রচারে নামলো তৃণমূল! বড় সিঁড়ি লক্ষ্মীর ভান্ডার ,বড় সাপ নরেন্দ্র মোদী অমিত শাহ

Share

মেদিনীপুর 9 ই এপ্রিল :

রাজনৈতিক প্রচারের সঙ্গে এবার ছক্কা লুডুর আশ্রয় নিলো তৃণমূল। ছক্কা লুডোর বই সহ এবং ঘুঁটি দিয়ে প্রচার।যেই লুডো বইয়ে সিঁড়ির মধ্য দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে রাজ্যের প্রকল্পসমূহ যার মধ্য দিয়ে মানুষের উন্নয়ন ঘটছে আর অন্যদিকে সাপের মধ্য দিয়ে বিজেপির মোদি অমিত শাহ মাধ্যম দিয়ে যেভাবে মানুষের অবনতি ঘটেছে তা তুলে ধরা হয়েছে এই লুডোর মধ্যে দিয়ে।

হাতে আর মাত্র কটা দিন এরপরই প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর,বাঁকুড়া পুরুলিয়া সহ দক্ষিণবঙ্গ নিয়ে ১৫২ টি কেন্দ্রের,যার মধ্যে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫ টি বিধানসভা। ইতিমধ্যে এই নির্বাচন উপলক্ষে টানা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে শাসকদলের প্রার্থী সহ বিরোধী সিপিএম,বিজেপি কংগ্রেস এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের প্রার্থীরা। এই নির্বাচনে ISF এবং SUCI প্রার্থীরাও পিছিয়ে নেই তারাও প্রচার চালাচ্ছেন জোর কদমে। তবে ২০২৬ এর নির্বাচনে প্রচারের ধরন এবং ট্রেন্ড চেঞ্জ করেছে শাসক বিরোধীরা। এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রার্থী রান্না করা থেকে চুল দাঁড়ি কেটে দেওয়া,চাষ করা,চপ ভাজা মাছ ধরা,এমনকি মাছ নিয়েও রাজনৈতিক প্রচার সেরে ফেলেছেন।যা নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে রাজনৈতিক প্রচারে।এবার ভোটারদের মন পেতে লুডো বোর্ডের আশ্রয় নিল শাসক দল তৃণমূল। এই লুডো বোর্ড যেই সেই লুডো বোর্ড নয়, এই লুডো বোর্ডে যেমন সিঁড়ি রয়েছে তেমনি রয়েছে আবার ভয়ংকর সাপ।

তবে এই সিঁড়ি ধরে ধাপে ধাপে উঠলে পাওয়া যাবে একের পর এক রাজ্যের প্রকল্প।বাংলার আবাস থেকে স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী, যুবশ্রী যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে পানীয় জল,যুব সাথী কৃষি বাজেট। তবে সবচেয়ে বড় সিঁড়ি হলো লক্ষ্মীর ভান্ডার।যা পেতে পেতে একদম সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছানো যাবে। এরই সঙ্গে রাখা হয়েছে বিরোধীদের মুখ । যা উন্নয়ন বন্ধ করতে দেখা যাচ্ছে। তবে ৯৬ ও ৯৭ নম্বর ঘরে থাকছে সাপ রূপী মোদী অমিত শাহ যাদের মুখে পড়লে সব হারাতে হয় হবে বাংলা থেকে।

এই বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা বলেন,” তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি যা যা প্রকল্প করেছেন সবই রাজ্য বাসির উদ্দেশ্যে। ছোট থেকে বড় পর্যন্ত সবাই নেত্রীর সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে। আর সেগুলোকে মানুষকে জানান দিতেই এই ধরনের প্রয়াস।”

অন্য দিকে বিজেপি নেতা সুশান্ত ঘোষ বলেন,” রাজ্য সরকারের কোন প্রকল্প নেই,সব ভাঁওতাবাজি প্রকল্প।বিশেষ করে কামদুনি,আরজি কর এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়ে একদিকে নারী নির্যাতন করছে অন্যদিকে এসব ভ্রান্তবাদী প্রকল্প লুডুর মাধ্যমে প্রকাশ করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। আমাদের এই সরকারকে পতন করেই ডাবল ইঞ্জিনের সরকার আনতে হবে এবং মানুষকে তার সঠিক সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দিতে হবে।”


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in