
নারায়ণগড় 28 সে ডিসেম্বর:
টাকা চেয়ে বারবার ধরে হুমকি বিজেপি কর্মীর।যদিও অভিযোগ পেয়ে গ্রেফতার বিজেপি কর্মীর সঙ্গে উদ্ধার একটি দেশী বন্দুক। এই ঘটনায় আদালতে ধৃতকে তোলা হলে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ।যদিও ফাঁসানোর অভিযোগ ওই অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীর।

টাকা চেয়ে বারবার ধরে হুমকি অবশেষে হোটেল মালিকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রেফতার করা হল এক বিজেপি কর্মীকে,যা নিয়ে চাঞ্চল্য নারায়ণগড় এলাকায়। নারায়ণগড় থানার অন্তর্গত ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ডহরপুর সংলগ্ন একটি হোটেলে ঘটনাটি ঘটে।অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে এক হোটেল ম্যানেজারকে ফোনে হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করছিল ওই যুবক। ধৃত যুবকের নাম তমাল জ্যোতি জানা (২৬)।ধৃত যুবক একজন বিজেপি কর্মী বলে সূত্রের খবর।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেলদা এলাকার বাসিন্দা তমাল জ্যোতি জানা (২৬) দীর্ঘদিন ধরে হোটেল ম্যানেজারকে ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে টাকা দাবি করত। টাকা না দিলে ভয় দেখানো ও হুমকির অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে অভিযুক্ত নিজেই হোটেলে এসে টাকা চাইলে হোটেল কর্তৃপক্ষ তা দিতে অস্বীকার করে।

এরপর দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি সন্দেহ জনক মনে হওয়ায় হোটেল কর্মীরা যুবকের ব্যাগ তল্লাশি করলে তার মধ্যে একটি দেশীয় পিস্তল দেখতে পান। এরপরই নারায়ণগড় থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে এবং দেশীয় বন্দুকটি বাজেয়াপ্ত করে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া বন্দুকটি কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং এই ঘটনার সঙ্গে আর কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ধৃতকে শনিবার তোলা হয় খড়গপুর মহকুমা আদালতে। পুলিশ তাদের ৫ দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানায়। যদিও শেষ পর্যন্ত তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।তবে এই ধৃত তমাল জ্যোতি জানার দাবি “আমি বিজেপি করি বলেই শাসকদলের পক্ষ থেকে আমাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে।”

অন্যদিকে শাসক দলের বিরুদ্ধে ওঠাও অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে, ওই এলাকার তৃণমূল নেতা রঞ্জিত বোস। তিনি বলেন, উনি যে অভিযোগ করছেন সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। বিজেপির কালচার তোলাবাজি করা। কালকে উনি বন্দুক নিয়ে তোলা তুলতে আসছিলেন। সেই সময় পুলিশ আনতে পেরে অভিযুক্ত ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোন ভাবে জড়িত নয়। ধৃত কে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে নারায়ণ গড় থানার পুলিশ।