SIR Hearing:এবার ডাক পেল কর্মাধ্যক্ষ!নথি দিতে শুনানিতে হাজির হলেন কমিশনে

Share

নারায়ণগড় 31 সে ডিসেম্বর:

২০০২ সালের লিঙ্ক দিতে পারেননি এনিউমারেশন ফর্মে। তাই ‘সার’ (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন) শুনানিতে ডাক পড়ল পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও তাঁর পরিবারের। নথি দিতে শুনানিতে হাজির তাঁরা। এমনই ঘটনা দেখা গেল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড় ব্লকে।

নারায়ণগড় বিধানসভার মহম্মদপুর গ্রামের বাসিন্দা অনাদি বারিক। ওখানের ১৩৭ নম্বর বুথের ভোটার তাঁরা। সেখানেই ভোট দিয়ে আসছেন বিগত বেশ কয়েকটি নির্বাচনে। নিজেও নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জয়ী হয়েছেন পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী হিসেবে। তারপর নারায়ণগড় পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষও হয়েছেন। কিন্তু এনিউমারেশন ফর্ম পূরণের সময় ২০০২ সালের লিঙ্ক দিতে না পারায় এবার ডাক পড়েছে শুনানিতে। শুধু নিজের না, বাবা সন্তোষ বারিক, দিদি কাজল, বোন মৌমিতা – সকলকেই ডাকা হয়েছে শুনানিতে। গত সোমবার ছিল বাবা ও দিদির শুনানি। তাঁরা গিয়ে নথি জমা দিয়ে এসেছেন।মঙ্গলবার ছিল অনাদির শুনানি।এদিন তিনি গিয়ে নথি জমা দেন।

কিন্তু কেন শুনানিতে ডাক পেলেন? অনাদি জানান, তাঁরা আদতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৮৩ সালে বাবার হাত ধরে বেলদার মহম্মদপুরে হাজির হন। প্রথমে ভাড়বাড়িতে থাকলেও বর্তমানের স্থায়ী বাসিন্দা। ২০০১ সাল পর্যন্ত সকলেই ভোটও দিয়েছেন। অনাদি বলেন, ‘২০০৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে প্রথম দেখি তালিকায় নাম নেই। পরে নামও তুলেছিলাম। কিন্তু চুড়ান্ত তালিতায় নাম না থাকার কারণে ২০০৪ সালের লোকসভাতেও ভোট দিতে পারিনি।’ পরবর্তীকালে অবশ্য ভোট দিয়েছেন বলে জানালেন। কিন্তু ওই সময় হঠাৎ কিভাবে পরিবারের সকলের নাম উধাও হল? অনাদির দাবি, ‘আমি প্রথম থেকে ছাত্র পরিষদ করতাম। তারপর তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে তৃণমূলে। যে কারণে সিপিএম তখন আমাদের নাম কৌশলে বাদ দেয়। তাই এখন শুনানিতে যেতে হচ্ছে।’

পঞ্চায়েত সমিতির কমার্ধ্যক্ষ মানে প্রশাসনেরই অংশ তিনি। তাই তাঁদেরও শুনানিতে ডাকা হয়েছে দেখে অবাক স্থানীয়রা।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in