SSC Teacher: ‘সুপ্রিমকোর্ট মানবিকতার খাতিরে আরোও একটু ভেবে দেখতে পারতো’ চাকরি যাওয়া নিয়ে মেদিনীপুরে ভেঙে পড়ল শিক্ষক

Share

নিজস্ব প্রতিনিধি,মেদিনীপুর:

হাইকোর্টের রায় কে বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্ট ২৬০০০ এর প্যানেল বাতিল করল। যা নিয়ে জেলায় জেলায় কান্নাকাটি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। যদিও মেদিনীপুরের দুই শিক্ষক কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং জানান সুপ্রিম কোর্ট আর একটু মানবিকভাবে খতিয়ে দেখতে পারতো।

আগে থেকেই নির্দিষ্ট ছিল।তবে যেহেতু সুপ্রিম কোর্টে হাইকোর্টের রায় নিয়ে সামিল হয়েছে চাকরিপ্রার্থীরা,তাই সেই সব খতিয়ে দেখে অবশেষে হাইকোর্টের রায় কে বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট।আর তাতেই প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হল গোটা রাজ্যজুড়ে যা নিয়ে গোটা রাজ্যজুড়েই এখন চাঞ্চল্য।এদিন দেখা গেল মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর শহরের টাউন স্কুলের দুই শিক্ষকের সম্ভাব্য চাকরি যাওয়া নিয়ে।জীবন জীবিকা কিভাবে চলবে তাই নিয়েই তারা স্কুলের মধ্যেই ভেঙে পড়েন।পাশাপাশি তারা কোনভাবেই সংবাদ মাধ্যমের কাছে আসতে চাননি কারণ মানসিক বিপর্যয় দেখিয়েছেন তারা।

এরা হলেন বাংলা ডিপার্টমেন্টে বিপ্লব মিদ্যা এবং ইকোনমিক্স ডিপার্টমেন্টের অপূর্ব বেরা।এই নিয়েই চাঞ্চল্য জেলা জুড়ে।মূলত এই দুজন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করছেন এই স্কুলে।আর এই চাকরি সূত্রেই বিবাহ করেছেন,ছেলে মেয়ে হয়েছে সেই সঙ্গে বৃদ্ধ বাবা মা কে দেখাশোনা করেন তারা। তাই চাকরি চলে গেলে কিভাবে সংসার চলবে? তারই পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকাই রয়েছে টাকা ফেরতের।যা নিয়ে আশঙ্কায় আতঙ্কিত এই শিক্ষকেরা।

এই নিয়ে ইকোনমিক্স ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক অপূর্ব বেরা বলেন এটা তো হওয়ারই ছিল।যেহেতু হাইকোর্ট রায় দিয়ে দিয়েছে।সেই রায় কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল তারা।আর তাই সুপ্রিম কোর্ট সেই রায় কে বহাল রেখেছে।তবে এই বিষয়ে আরেকটু মানবিকতার খাতিরে খতিয়ে দেখা উচিত ছিল সুপ্রিম কোর্টের বলে দাবি শিক্ষকের।তবে যোগ্য আর অযোগ্য প্রশ্নে তিনি বলেন আমি কিন্তু ৫৫ টা প্রশ্নের ৫৫ টা উত্তর দিয়ে এসেছি,তারপরও কেন গেল বলতে পারব না।
তবে আমি এর আগে দু দুটো কলেজে পার্ট টাইমে চাকরি করেছি।পাশাপাশি তিনি আগামী পদক্ষেপ নিয়ে বলেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এই রায়ের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয় সেটাই দেখার।

যদিও এই বিদ্যালয়ের বর্তমান টিচার ইনচার্জ জহরলাল পড়িয়া বলেন,”আমাদের কাছে এখনও কাগজ পত্র এসে পৌঁছয়নি।তবে আমরা কোর্টের মাধ্যমে এবং এই শিক্ষকদের কথার মাধ্যমে জেনেছি চাকরি এদেরই গিয়েছে।তবে শিক্ষকের ঘাটতি নিয়ে তিনি বলেন সমস্যা তো হতেই পারে স্কুলে কারণ এই ক্ষণিকের সময়ের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ করা সম্ভব না।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in