
মেদিনীপুর 16 ই জানুয়ারি:
অভিষেকের সভায় কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে। জনতা
তো বটেই সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের কঠোর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে।অফিস কার্ড,তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর থেকে দেওয়া উপযুক্ত ডিআইবি পাস থাকা সত্ত্বেও নতুন করে কিউআর কোড স্ক্যানার।আর তাতেই স্ক্যান করে তবেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে অভিষেকের সভায় সাংবাদিকদের, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ সাংবাদিক মহল।

গোটা রাজ্যের ভিন্ন ভিন্ন জেলা সফরে বেরিয়েছেন তৃণমূলের যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একের পর এক সভা তিনি করে চলছেন।আর এই অভিষেকের সভা ঘিরে দিনের পর দিন নিরাপত্তা বাড়াচ্ছে তার নিরাপত্তায় থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা।আর এই নিরাপত্তার ঘেরাটোপে কঠোর করা হচ্ছে সাংবাদিকদের এরকমই ছবি দেখা গেল এই দিন সভায়। মূলত নির্দিষ্ট কর্মসূচি অনুযায়ী এদিন মেদিনীপুর কলেজ কলেজিয়েট মাঠে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর সভার আয়োজন করা হয়।আর সেই সভা ঘিরেই তৃণমূল কর্মীদের ছিল উন্মাদনা। তবে এদিন নির্দিষ্ট সময় দুপুর 1 টা নাগাদ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সময় পিছিয়ে টাইম করা হয় আড়াইটা।তবে লোকজন মাঠ না ভরলেও নিরাপত্তা ছিল কঠোর। আর সেই কঠিন নিরাপত্তার মধ্যেই আটকে রাখা হলো সাংবাদিকদের। এইদিন দেখা যায় ডিআইবি পাস সেইসঙ্গে অফিস কার্ড থাকা সত্ত্বেও নতুন করে কিউ আর স্ক্যান এর ব্যবস্থা করে তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর থেকে।

সেই স্ক্যান করে তাতে যাবতীয় ডেটা যেমন নিজের নাম, অফিস নাম,ফোন নাম্বার দিলে তবেই মিলেছে আপনি সিগন্যাল এবং মাঠে ঢোকার ছাড়পত্র।যদিও এখানে থেমে ছিল না এরপরই সিকিউরিটি গার্ডের কঠোর নিরাপত্তার ঘেরাটোপ এবং তারপরে মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় সাংবাদিকদের।যা নিয়ে বেশ কিছুটা ক্ষোভ ছড়ায় সাংবাদিকদের মধ্যে। মুখে কেউ কিছু না বললেও নিজের মধ্যে তারা অসন্তোষ প্রকাশ করেন। যদি এই নিয়ে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের দাবি সরকারি যা নির্দেশিকা এসেছে তাই মানা হচ্ছে। যদিও অনেকে এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও গুরুত্ব দেয়নি কর্তৃপক্ষ।

যদিও এই দিনের অভিষেকের সভার স্টেজ তিন লেয়ারে বিভক্ত করা হয়। একদিকে নেতা মন্ত্রী বিধায়ক,অন্য স্টেজে কাউন্সিলর, যুব সভাপতি, ব্লক সভাপতি এরই পাশাপাশি তৃতীয় স্টেজে বিশিষ্ট মানুষজনকে বসানো হয়।