
ঘাটাল 28 সে জানুয়ারি:
এলাকায় হনুমানের তাণ্ডব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪,বনদপ্তরের কর্মীদের ঘিরে এক প্রস্থ বিক্ষোভ পৌরবাসীর। যদিও এই সমস্যার সমাধান খুঁজছে এলাকার মানুষজন।অন্যদিকে বনদপ্তরের দাবি প্রয়োজনে ঘুম পাড়ানি ওষুধ দিয়ে হনুমানটিকে উদ্ধার করা হবে।

সাত থেকে আট দিন ধরে একদল হনুমানের তান্ডবে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষজন।এই হনুমানের আক্রমণে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশু সহ মোট চারজন।এই পরিস্থিতিতে বনদপ্তর হনুমান তাড়াতে ব্যর্থ এই অভিযোগে বনদপ্তরের কর্মীরা এলাকায় আসলে তাদের ঘিরে এক প্রস্থ বিক্ষোভ পৌরবাসীর,যা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা।এমনই ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের আড়গোড়া এলাকায়।এলাকাবাসীদের অভিযোগ সাত থেকে আট দিন ধরে তারা হনুমানের ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।বাইরে বেরোতে হলে হাতে লাঠি নিয়েই বের হতে হচ্ছে তাদের। বাইরে বেরোলে হনুমানটি লাফিয়ে তাদের আক্রান্ত করছে।কিন্তু এই বিষয়ে বনদপ্তর হনুমানের দল টিকে অন্যত্র নিয়ে যেতে ব্যর্থ।এই ঘটনার পর ঘটনাস্থলে বনদপ্তরের কর্মীরা আসলে তাদের ঘিরে এক প্রস্থ বিক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষজন।

এই বিষয়ে এলাকার ক্ষুব্ধ মানুষ তনুশ্রী বেরা,সাহেব মাইতিরা বলেন,”গত সপ্তাহখানেক ধরে আমরা একটি হনুমানের আক্রমণে আক্রান্ত হয়েছি।এই হনু টানা এলাকার মানুষদেরকে উপর হামলা করে চলছে। স্কুলের বাচ্চারা স্কুল যেতে পারছে না।এলাকার মানুষ ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে কাজে যেতে পারছে না।যার জেরে আতঙ্কিত এলাকার মানুষজন।এই নিয়ে বনদপ্তর চেষ্টাও করেছে কিন্তু হনুমানটিকে বাঘে আনতে পারেনি।আমরা চাই অতি দ্রুততার সঙ্গে এই হনুমানটিকে উদ্ধার করে বন দফতর নিয়ে যাক।

যদিও এই বিষয়ে আশার বাণী শুনিয়েছে বনদপ্তর।
বনদপ্তর এর ঘাটালের রেঞ্জার রতন সরকার সমস্ত ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন এই হনুমানটি কেন এলাকায় উৎপাত করছে তা আমরা বুঝে উঠতে পারছি না।তবে আমরা সকল প্রকার চেষ্টা করছি।তিনি এও জানিয়েছেন প্রয়োজনের ঘুমপাড়ানি গুলি করে হনুমানটিকে ধরা হবে।