
চন্দ্রকোণা 17 ই ফেব্রুয়ারি:
চন্দ্রকোণায় বিধানসভায় ২৬ এর বিধানসভা ভোটের প্রচারে নামার প্রস্তুতি বিজেপির।চন্দ্রকোণা বিধানসভা চার্জশিট প্রকাশ করল বিজেপি।তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই চার্জশিট ভোটারদের হাতে ধরাবে বিজেপি নেতা কর্মীরা। নাম দেওয়া হয়েছে ‘চার্জশিট জবাব চাই চন্দ্রকোণা’ ।

ছাব্বিশের নির্বাচন দোরগোড়ায়,তৃণমূল কংগ্রেস ও তার সরকারের দুর্নীতি,অনুন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে চন্দ্রকোণা বিধানসভায় চার্জশিট প্রকাশ করল বিজেপি। সোমবার সন্ধ্যা রাত করে চন্দ্রকোণার রামজীবনপুর দলীয় কার্য্যালয়ে এই চার্জশিট প্রকাশ করে বিজেপি।উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামি,আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুশান্ত বেরা,চন্দ্রকোণা বিধানসভায় বিজেপির কনভেনার সুদীপ কুশারি সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।চন্দ্রকোণা বিধানসভার বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট,ভাঙা সেতু,নদীবাঁধ মেরামত না হওয়া,তৃণমূল পরিচালিত পুরসভায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পে দুর্নীতি,চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাবে ব্যাহত রোগী পরিষেবা সহ এমন একগুচ্ছ অভিযোগ চার্জশিট আকারে প্রকাশ করা হয়।’চার্জশিট জবাব চাই চন্দ্রকোণা’ নাম দিয়ে বিজেপির এই চার্জশিট পত্র বিধানসভা জুড়ে বিলি ও প্রচার করা হবে এমনটাই জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা।

এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি সুশান্ত বেরা বলেন,’সরকারে থেকেও এই বিধানসভার যিনি বিধায়ক তিনি সরকারি প্রকল্পই বাস্তবায়ন করতে পারেনি।মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েও সেই সমস্ত কাজ ওনারা করেননি।আমরা সেগুলো খুঁজে বের করে তার তালিকা তৈরি করে চার্জশিট আকারে প্রকাশ করলাম।এই চার্জশিট নিয়ে মানুষের বাড়ি গিয়ে প্রচার করবো।আমরা ক্ষমতায় এলে সব প্রকল্পের বাস্তবায়ন করবো।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,ভোট যতই এগিয়ে আছে ততই চড়ছে রাজনৈতিক পারদ আর এই রাজনীতিকে ঘিরে ইতিমধ্যে উত্তাল হচ্ছে রাজ্যের রাজনীতি। প্রচারে কেউই খামতি রাখতে চাইছেন না। শাসক দল তৃণমূল তো বটেই সেই সঙ্গে বিরোধী বিজেপি, সিপিএম কংগ্রেস সবাই নেমে পড়েছে মাঠে। ইতিমধ্যে কোথাও কোথাও দেওয়ার লিখন করা হয়েছে প্রার্থীর নাম উহ্য রেখে। কোথাও কোথাও জোর কদমে প্রচার চালাচ্ছে শাসকবিরোধীরা। এক কথায় রাজনীতিকে ময়দানে কেউই কম যায় না।

যদিও এ বিষয়ে কটাক্ষ করেছে শাসক দল তৃণমূল। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন,”এই সব ফাটকা বাজি বিজেপির।ভোট এলে এদের এই সব মিথ্যে গল্প শুরু হয়। ভোট ফুরোলে আর দেখা পাওয়া যায় না।তখন মা মাটি মানুষের সরকার এই গরীব মানুষদের পাশে থাকে। তাই সাধারন মানুষ কে বলব এদের আর বিশ্বাস করবেন না।