Papiya Sultana: জেলায় কোনরূপ, ভাঙচুর গন্ডগোল হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তো নেওয়া হবেই তার হয়ে কোনো নেতা মন্ত্রী কেউ ফোন করলে তাকেও রেহাই দেওয়া হবে না! কড়া বার্তা পুলিশ সুপারের
ভোট গণনা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে জুড়ে পরিবর্তনের হাওয়া এবং সেই হাওয়াতেই একাধিক তৃণমূল পার্টি অফিস ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে জেলায়। এই পরিস্থিতি সামলাতে এবার মাঠে ময়দানে নামছে জেলার প্রশাসন। পুলিশ, জেলাশাসক এবং কেন্দ্র বাহিনী একসঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করে কড়া বার্তা দিলেন জেলাবাসীর উদ্দেশ্যে।
All to note Police helpline no for Paschim Medinipur District
03222267857 03222267983 6296060699
সম্প্রতি ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, সম্পন্ন হয়েছে গণনা। ইতিমধ্যে ২০৭ টা সিট পেয়ে সংখ্যা মেজরিটি নিয়ে সরকার গঠনের লক্ষ্যে বিজেপি কিন্তু ভোট গণনার পর থেকেই শুরু হয়েছে জেলায় জেলায় অশান্তি, অশান্তি হচ্ছে খোদ রাজধানী কলকাতায়। একে একে তৃণমূলের অফিস ভাঙচুর, পোড়ানো মারধর এমন কি অগ্নিসংযোগের ঘটানো ঘটছে। কমিশনের লোকজন এবং কেন্দ্র বাহিনী থেকেও তাদের কন্ট্রোল করাই যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে এবার জেলা প্রশাসন থেকে কড়া বার্তা দেওয়া হল। এই দিন জেলা প্রশাসনের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর কমান্ডার তিনজন মিলে সাংবাদিক বৈঠক করলেন। যে বৈঠকে জেলার ক্রিমিনাল এবং ভাঙচুর করা মানুষদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। শুধু কঠোর বার্তা দিয়েছেন তাই নয়, জেলাশাসক পুলিশ সুপার বলতে চান যদি কেউ আইন হাতে তুলে নেন বা আর একটাও যদি ভাঙচুর হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শুধু কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নয় তার হয়ে যারা কথা বলতে আসবে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যা নিয়ে জেলায় স্বস্তি আসতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ ভোট গণনার পর থেকে যেভাবে অশান্তি বেড়ে চলেছে তাতে অশান্ত গোটা রাজ্যের সঙ্গে জেলার মানুষজন। একাধিক তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল করা হয়েছে রং করে তালা চাবি লাগানো হয়েছে সেগুলি। যদিও ইতিমধ্যে এ নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা হয়েছে জেলাশাসক এবং কমিশনের কাছে। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রায় ১৬২ জন কে গত রাত অব্দি গ্রেফতার করেছে পুলিশ প্রশাসন বলে সূত্রে জানা যায়।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন,”গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত আমরা একাধিক অভিযান চালিয়েছি এবং যারা এ ধরনের ভাঙচুর করছে তাদের আমরা গ্রেপ্তার করেছি এবং মামলাও দায়ের হয়েছে। আমরা সংবাদ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সেই সকল মানুষকে সচেতন করতে চাই যদি কেউ এই ধরনের ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ এবং মারধরের ঘটনা ঘটাতে চান বা ভেবে থাকেন তাহলে সতর্ক হয়ে যান, কারণ এই ধরনের আর একটা ঘটনা ঘটলেও আমরা মাঠে ময়দানে গিয়েই সেই দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করব। পাশাপাশি পুলিশ সুপার বলেন যারা এই দোষীদের হয়ে ফোন করবে ছাড়ানোর জন্য সেটা যে দলেরই হোক তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে কোনোভাবেই এই ধরনের অশান্তি ও বরদাস্ত করা হবে না আর একটাও।”
এই নিয়ে কেন্দ্র বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডেন্ড সালু এস মহারানা বলেন,” আমাদের কেন্দ্র বাহিনী ভোটের আগে থেকেই জেলায় রয়েছে। আমরা আগামী অনির্দিষ্টকালের জন্য রয়ে যাব যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে। এই ধরনের ভাঙচুর অশান্তির ঘটনায় আমরা জাতি ধর্ম বর্ণ কোনভাবেই দেখবো না, বাছ বিচার করা হবে না ছোট থেকে বড় কাউকেই। যারা অশান্তি করবে বা গন্ডগোল করবে তাদের স্পটেই সমাধান হবে।”
অন্যদিকে জেলার জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ বলেন, “আমাদের কাছে এক ও একাধিক অভিযোগ এসেছে। আমরা সেই সকল অভিযোগ খতিয়ে দেখছি এবং কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছি। সর্বদলীয় বৈঠকও করেছি সব দলের নেতা-মন্ত্রী এবং যারা জিতেছেন তাদের নেতাদেরও বলে দিয়েছে কোন অশান্তি ঘটলে তার দায় তাকে নিতে হবে। আমরা কোনভাবেই জেলায় অশান্তি করতে দেব না। আমরা আমাদের ফোন নাম্বারও চালু করেছি, মানুষ প্রয়োজনে ফোন করে তাদের অভিযোগ জানাতে পারে।
All to note Police helpline no for Paschim Medinipur District
03222267857 03222267983 6296060699
পাশাপাশি তিনি এও বলেন তবে অভিযোগ সত্যি কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে।”
Papiya Sultana: জেলায় কোনরূপ, ভাঙচুর গন্ডগোল হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা তো নেওয়া হবেই তার হয়ে কোনো নেতা মন্ত্রী কেউ ফোন করলে তাকেও রেহাই দেওয়া হবে না! কড়া বার্তা পুলিশ সুপারের
মেদিনীপুর 6 ই মে :
ভোট গণনা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যে জুড়ে পরিবর্তনের হাওয়া এবং সেই হাওয়াতেই একাধিক তৃণমূল পার্টি অফিস ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে জেলায়। এই পরিস্থিতি সামলাতে এবার মাঠে ময়দানে নামছে জেলার প্রশাসন। পুলিশ, জেলাশাসক এবং কেন্দ্র বাহিনী একসঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করে কড়া বার্তা দিলেন জেলাবাসীর উদ্দেশ্যে।
All to note Police helpline no for Paschim Medinipur District
03222267857
03222267983
6296060699
সম্প্রতি ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, সম্পন্ন হয়েছে গণনা। ইতিমধ্যে ২০৭ টা সিট পেয়ে সংখ্যা মেজরিটি নিয়ে সরকার গঠনের লক্ষ্যে বিজেপি কিন্তু ভোট গণনার পর থেকেই শুরু হয়েছে জেলায় জেলায় অশান্তি, অশান্তি হচ্ছে খোদ রাজধানী কলকাতায়। একে একে তৃণমূলের অফিস ভাঙচুর, পোড়ানো মারধর এমন কি অগ্নিসংযোগের ঘটানো ঘটছে। কমিশনের লোকজন এবং কেন্দ্র বাহিনী থেকেও তাদের কন্ট্রোল করাই যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে এবার জেলা প্রশাসন থেকে কড়া বার্তা দেওয়া হল। এই দিন জেলা প্রশাসনের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর কমান্ডার তিনজন মিলে সাংবাদিক বৈঠক করলেন। যে বৈঠকে জেলার ক্রিমিনাল এবং ভাঙচুর করা মানুষদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। শুধু কঠোর বার্তা দিয়েছেন তাই নয়, জেলাশাসক পুলিশ সুপার বলতে চান যদি কেউ আইন হাতে তুলে নেন বা আর একটাও যদি ভাঙচুর হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শুধু কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নয় তার হয়ে যারা কথা বলতে আসবে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যা নিয়ে জেলায় স্বস্তি আসতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ ভোট গণনার পর থেকে যেভাবে অশান্তি বেড়ে চলেছে তাতে অশান্ত গোটা রাজ্যের সঙ্গে জেলার মানুষজন। একাধিক তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল করা হয়েছে রং করে তালা চাবি লাগানো হয়েছে সেগুলি। যদিও ইতিমধ্যে এ নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা হয়েছে জেলাশাসক এবং কমিশনের কাছে। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রায় ১৬২ জন কে গত রাত অব্দি গ্রেফতার করেছে পুলিশ প্রশাসন বলে সূত্রে জানা যায়।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন,”গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত আমরা একাধিক অভিযান চালিয়েছি এবং যারা এ ধরনের ভাঙচুর করছে তাদের আমরা গ্রেপ্তার করেছি এবং মামলাও দায়ের হয়েছে। আমরা সংবাদ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সেই সকল মানুষকে সচেতন করতে চাই যদি কেউ এই ধরনের ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ এবং মারধরের ঘটনা ঘটাতে চান বা ভেবে থাকেন তাহলে সতর্ক হয়ে যান, কারণ এই ধরনের আর একটা ঘটনা ঘটলেও আমরা মাঠে ময়দানে গিয়েই সেই দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করব। পাশাপাশি পুলিশ সুপার বলেন যারা এই দোষীদের হয়ে ফোন করবে ছাড়ানোর জন্য সেটা যে দলেরই হোক তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে কোনোভাবেই এই ধরনের অশান্তি ও বরদাস্ত করা হবে না আর একটাও।”
এই নিয়ে কেন্দ্র বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডেন্ড
সালু এস মহারানা বলেন,” আমাদের কেন্দ্র বাহিনী ভোটের আগে থেকেই জেলায় রয়েছে। আমরা আগামী অনির্দিষ্টকালের জন্য রয়ে যাব যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে। এই ধরনের ভাঙচুর অশান্তির ঘটনায় আমরা জাতি ধর্ম বর্ণ কোনভাবেই দেখবো না, বাছ বিচার করা হবে না ছোট থেকে বড় কাউকেই। যারা অশান্তি করবে বা গন্ডগোল করবে তাদের স্পটেই সমাধান হবে।”
অন্যদিকে জেলার জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ বলেন, “আমাদের কাছে এক ও একাধিক অভিযোগ এসেছে। আমরা সেই সকল অভিযোগ খতিয়ে দেখছি এবং কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছি। সর্বদলীয় বৈঠকও করেছি সব দলের নেতা-মন্ত্রী এবং যারা জিতেছেন তাদের নেতাদেরও বলে দিয়েছে কোন অশান্তি ঘটলে তার দায় তাকে নিতে হবে। আমরা কোনভাবেই জেলায় অশান্তি করতে দেব না। আমরা আমাদের ফোন নাম্বারও চালু করেছি, মানুষ প্রয়োজনে ফোন করে তাদের অভিযোগ জানাতে পারে।
All to note Police helpline no for Paschim Medinipur District
03222267857
03222267983
6296060699
পাশাপাশি তিনি এও বলেন তবে অভিযোগ সত্যি কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে।”