
মেদিনীপুর 8 ই মে :
ভোটারদের পায়ে প্রণাম করে সংকল্প পত্র প্রদান বিজেপি বিধায়কের এক ইউনিক নজির গড়লেন এই বিজেপি নেতা। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর গুছাইত বলেন,’এই গণদেবতায় আমার জেতার মূল চাবিকাঠি, তাই তাদের পায়ে প্রণাম করেই নতুন পথের যাত্রা শুরু করলাম। ‘

‘আপনাদের আশীর্বাদের জন্যই আজ আমি জিততে পেরেছি আমার সংখ্যা ৩৮,৭৪৭ ‘ঠিক এভাবেই প্রতিটা ভোটারের পায়ে প্রণাম করে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করলেন বিজেপি বিধায়ক আর তৈরি করলেন এক ইউনিক ভাবনা চিন্তা। দীর্ঘ বছর পর পশ্চিম মেদিনীপুরের খোদ মেদিনীপুর বিধানসভার বিধায়ক হল বিজেপি ।এবারে তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরাকে হারিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হন বিজেপি নেতা শংকর গুছাইত। এই বিপুল ভোটে জয়ের পর থেকে উচ্ছ্বসিত এই নেতা। শপথ গ্রহণের আগেই তিনি মেদিনীপুর শহর এবং বিধানসভার বিভিন্ন জায়গায় বেরোলেন প্রণাম করতে।প্রথমে বেরোলেন নিজের বুথ ৯ নম্বর ওয়ার্ডে। ওয়ার্ডের মানুষজনের কাছে গিয়ে তাদের পায়ে প্রণাম করে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করলেন তিনি,পায়ে প্রণাম করে বললেন আপনাদের মূল্যবান ভোটের জন্যই আমি এই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি যার জন্য একান্ত ধন্যবাদ। এরই সঙ্গে তিনি মেদিনীপুর বিধানসভার উন্নতি কল্পে কি কি ভালো ভালো পরামর্শ দেওয়া যায় তাই নিয়েও সংকল্পপত্র তিনি দিয়ে এলেন হাতে হাতে চাইলেন পরামর্শ। এইরকমই ইউনিক ভাবনা চিন্তায় ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরছেন তিনি যা নিয়ে সংবাদের শিরোনামে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৫ বছরের পর এবার ভোটে জয়ী হয়েছে গোটা রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুরের বিজেপির প্রার্থীরা। রীতিমতো ২০৭ টা সিট নিয়ে সরকারে দখল করেছে তারা। রাত ফুরোলেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫ টি বিধানসভার মধ্যে প্রায় ১৩ টি বিধানসভাতেই ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল আর সেই তৃণমূলের প্রার্থীদের বিপুল ভোটে পরাজিত করেছেন বিজেপির একে একে প্রার্থীরা।সেই জেতা প্রার্থী তালিকায় রয়েছে খড়্গপুরের দিলীপ ঘোষ, গড়বেতার ভূমিপুত্র প্রদীপ লোধা, মাহাতো পরিবারের সালবনির বিমান মাহাতো, নারায়ণগড়ের রমাপ্রসাদ গিরি এমনকি ঘাটালের শীতল কপাট এবং মেদিনীপুরের শংকর গুছাইত। আর সেই জয়ের পর থেকেই ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মানুষের কাছে পৌঁছে গেলেন এই বিজেপি বিধায়ক, চাইলেন ভালোবাসা এবং প্রণাম করে শ্রদ্ধা জানালেন তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে বিজেপিকে জয়ী করার জন্য। এখন দেখার এই পরিবর্তনের পরিবর্তন করে রাজ্য জেলায় এবং খোদ বিধানসভায় কি কি ডেভলপমেন্ট করতে পারে এই প্রার্থীরা?

এ বিষয়ে বিজেপি বিধায়ক শংকর গুছাইত বলেন, “মেদিনীপুর মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসার জন্য আমার মার্জিন বেড়ে হয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮,৭৪৭ এই ভোট আমাকে জিতিয়ে বিধায়ক বানিয়েছে। তাই এই গণদেবতাদের যথাযোগ্য মর্যাদার সম্মান জানানোর জন্যই আজকে তাদের পায়ে প্রণাম করে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করলাম।

পাশাপাশি মেদিনীপুরের ডেভলপমেন্ট করার জন্য কোন ধরনের পরামর্শ থাকলে তা আমায় দিয়ে যাতে মেদিনীপুর বাসীর উন্নতি করতে পারি তার জন্য তাদের কাছে পরামর্শ চাইতে এলাম। দিলাম সংকল্প পত্র হাতে হাতে।