
মথুরাকাটি 17 ই অক্টোবর :
দুর্গাপূজার মহাষষ্ঠীর এক পবিত্র ও আনন্দঘন মুহূর্তে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অনন্য নজির গড়ল ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী রশ্মি গ্রুপ । উৎসবের মরসুমে সমাজের বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর মুখে হাসি ফোটাতে সংস্থার পক্ষ থেকে এক বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এইদিন স্থানীয় মথুরাকাটি পূজা মণ্ডপে আয়োজিত একটি মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে গড্ডা বস্তির বাসিন্দা, বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি রাকেশ কুমারকে স্বনির্ভরতা ও স্বাধীনভাবে চলাচলের সুবিধার্থে একটি তিন চাকার সাইকেল উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়।

এই অনুষ্ঠানে বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইআইটি খড়গপুরের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক (HAG) ড. বি. সি. মেইকাপ মহাশয় , বরকোলা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রতাপ নারায়ণ পারিয়া মহাশয়, আর্ট একাডেমির অধ্যক্ষ সঞ্জীব মিত্র এবং বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী তুলিকা মিত্র ও সৌমদীপ দাস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রশ্মি গ্রুপের জিএম লিগ্যাল শ্রী তপন নাথ মহাশয় , ডিজিম সিএসআর নটবর বিসওয়াল মহাশয় সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মথুরাকাটি পূজা কমিটির সদস্যবৃন্দ। এই বিষয়ে রশ্মি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ভাস্কর চৌধুরী মহাশয় বলেন,’একটি দায়িত্বশীল কর্পোরেট সংস্থা হিসেবে রশ্মি গ্রুপ সর্বদা সমাজের সার্বিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের সিএসআর কর্মসূচির মূল লক্ষ্যই হলো পিছিয়ে পড়া ও বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ভাইবোনদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে এনে তাঁদের স্বাবলম্বী করা। আজ মহাশষ্ঠীর এই পুণ্যলগ্নে রাকেশবাবুর হাতে এই তিন চাকার সাইকেলটি তুলে দিতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। আগামী দিনেও আমাদের এই ধরনের মানবিক ও সামাজিক প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

আইআইটি অধ্যাপক বি. সি. মেইকাপ রশ্মি গ্রুপের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “রশ্মি গ্রুপের এই সিএসআর প্রোগ্রাম রাকেশবাবুর জীবনযাত্রাকে অনেক সহজ করে তুলবে।” বরকোলা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রতাপ নারায়ণ পারিয়া এবং আর্ট একাডেমির অধ্যক্ষ সঞ্জীব মিত্রও এই মহতী প্রয়াসকে সাধুবাদ জানান। এই সাইকেলটি হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে গ্রহীতা রাকেশ কুমার তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আজ মহাশষ্ঠীর দিনে রশ্মি গ্রুপ আমাকে যে উপহার দিল, তা আমার জীবনের এক মস্ত বড় সহায়। এই তিন চাকার সাইকেলটি পাওয়ার পর থেকে আমার যাতায়াতের কষ্ট অনেক কমবে এবং আমি নিজে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারব। আমি রশ্মি গ্রুপ ও এখানে উপস্থিত সমস্ত অতিথিদের হাত জোড় করে ধন্যবাদ জানাই।”উৎসবের আলোয় একজন মানুষের জীবনে স্বনির্ভরতার নতুন আলো জ্বালিয়ে দেওয়ার এক নতুন দিগন্তের সূচনা করল রশ্মি গ্রুপ।