
নিজস্ব প্রতিনিধি,মেদিনীপুর:
উপনির্বাচনের পর এবার জেলা সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি ঘিরে জোর তৎপরতা প্রশাসন এবং শাসক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে।যদিও বারে বারে আকাশে চক্কর কাটলো হেলিকপ্টার,খতিয়ে দেখা হলো নিরাপত্তা।

রাত ফুরানোর অপেক্ষা,অবশেষে দুদিনের সফরে পশ্চিম মেদিনীপুরের আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা ঘিরে সাজো সাজো রব গোটা মেদিনীপুর জুড়ে।মূলত উপনির্বাচনের পর এই প্রথম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তবে তার সিডিউল নিয়ে যথেষ্ট বিভ্রান্তি রয়েছে প্রশাসনিক মহলে। প্রশাসনিক সূত্র অনুযায়ী,সোমবার মুখ্যমন্ত্রী দুপুর নাগাদ আসবেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্যতম বিধানসভা শালবনিতে জিন্দাল প্রকল্পে।সেখানে তিনি ১৬০০ মেগা ওয়াটের পাওয়ার প্লান্টের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন সেইসঙ্গে পুজো সম্পাদন করবেন।এরপর তিনি হেলিকপ্টারে করে উড়ে আসবেন মেদিনীপুরের কলেজ কলিজিয়েট মাঠে। এখানে বড় টেন্ট লাগিয়ে ম্যারাপ বেঁধে মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার।

সেখানে অস্থায়ীভাবে হেলিপ্যাডে মুখ্যমন্ত্রী নেমে চার চাকায় করে তিনি সার্কিট হাউসের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।তিনি সন্ধ্যে নাগাদ সার্কিট হাউসে পৌঁছে রাত্রি যাপন করবেন সেই সঙ্গে বিধায়ক সাংসদ নেতা মন্ত্রীদের নিয়ে এক প্রস্থ বৈঠক হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে।সেইসঙ্গে জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে।মঙ্গলবার অর্থাৎ পরের দিন মুখ্যমন্ত্রী গাড়িতে করে আসবেন সভা করতে মেদিনীপুর কলেজ কলিজিয়েট মাঠে।সেই প্রশাসনিক সভা মঞ্চ থেকে তিনি সরকারি প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা এবং তুলে দিবেন সেই সঙ্গে নতুন প্রকল্পের ঘোষণাও করবেন বলে সূত্র অনুযায়ী জানা যায়।যদিও এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীর চপারে করে উড়ে যাবেন কলকাতার উদ্দেশ্যে।তবে প্রশাসনিক বা সরকারি প্রকল্পের কোন কোন সুবিধা গুলো বা কত কোটি টাকার প্রকল্পের সুবিধা তিনি প্রদান করবেন তা নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে প্রশাসনিক আধিকারিকদের মধ্যে।

যদিও এই দিন দুটো জায়গারই প্রস্তুতি দেখা গেল জোর তৎপরতা। মুখ্যমন্ত্রীর আসা হেলিকপ্টার বারে বারে চক্কর কাটল আকাশে।অন্যদিকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মঞ্চ গড়ে তোলা হচ্ছে কলেজ-কলেজে মাঠে এবং শালবনিতে। যদিও শালবনিরর জিন্দাল কারখানার মধ্যেই প্রবেশের নিষিদ্ধ করেছে সকল কর্মী নেতৃত্ব এবং ভিভিআইপিদের।এই মুখ্যমন্ত্রীর সফরে একদিকে পাওয়ার প্ল্যান্টের উদ্বোধনে কর্মসংস্থান সেই সঙ্গে সরকারি প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা বহু মানুষ পাবেন বলে, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের মানুষজন।

উল্লেখ্য,শালবনী থেকে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে করে আসার কথা ছিল মেদিনীপুরে।কিন্তু চাকরি হারা শিক্ষকদের ক্ষোভের মুখে যাতে মুখ্যমন্ত্রী না পড়েন সে দিক ভাবনা চিন্তা করে অবশেষে হেলিকপ্টারে করে উড়ে আসার কথা রয়েছে মেদিনীপুরে।