
নিজস্ব প্রতিনিধি,মেদিনীপুর:
গ্রীষ্মকাল পড়তেই রক্তের হাহাকার চারদিক।আর সেই সংকট মেটাতে বিভিন্ন সংস্থা,ক্লাব,সংগঠনের পাশাপাশি এগিয়ে এলো জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। এদিন এক রক্তদান শিবিরের মধ্য দিয়ে শতাধিক রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্ত দিলেন।রক্তদাতাদের উৎসাহ দিতে রক্তদান করলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক,জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ স্বাস্থ্য অধিকর্তারা।

একদিকে গ্রীষ্মের দাবদাহ অন্যদিকে রক্তের সংকট। মেদিনীপুর সহ ঘাটাল খড়গপুরের ব্লাড ব্যাংক গুলিতে রক্তের আকাল লেগে রয়েছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে মুমূর্ষ রোগীর সংখ্যা।এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ক্লাব,সংঘ, সংগঠনের পাশাপাশি এবার এগিয়ে এলো স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা।এদিন জেলা স্বাস্থ্য ভবনে এক রক্তদান শিবিরের মধ্য দিয়ে নিজেরাই রক্তদান করলেন এই স্বাস্থ্য অধিকর্তারা।এই রক্তদান শিবিরে বেডে শুয়ে নিজেই রক্ত দিলেন জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক কেম্পা হোন্নাইয়া সেই সঙ্গে জেলা স্বাস্থ্য অধিকর্তা সৌম্য সংকর সরঙ্গী। এরই সঙ্গে এই রক্তদান শিবিরে নিজেদের রক্ত দান করলেন বিভিন্ন ব্লকের স্বাস্থ্য অধিকর্তারা।দিনের শেষে টার্গেট রয়েছে ১০০ রক্তদাতা।যা নিয়েও যথেষ্ট উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে। যদিও শিবির করা নিয়ে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন জেলা স্বাস্থ্য আধিকারীক।

এ বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক সৌম্য সংকর সড়ঙ্গী বলেন,”গরম পড়তেই মূলত এই রক্তের সমস্যা বেশি করে দেখা দেয় এই জেলা হাসপাতাল গুলিতে।তাই আমরাও সচেতনতার বার্তা তুলে ধরতে এই ব্লাড ব্যাংকের আয়োজন করেছি।এরই পাশাপাশি আমরা এক মাসের ক্যালেন্ডার ও প্রকাশ করেছি যেখানে,কোথায় কবে কখন রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হবে তা যেন জানতে পারে সাধারণ মানুষ।আমাদের উদ্দেশ্যই হল মানুষকে সচেতন করা।

অন্যদিকে জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক কেম্পা হোন্নাইয়া বলেন,”আমি এই অনুষ্ঠানের কথা জানতাম না। আমি জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক এর কথা শুনে চলে এসেছি।আমিও রক্তদান করেছি এই শিবিরে। শুধু তাই নয়,আমি বছরের দুবার রক্তদান করে থাকি। আমরা চাই সকল মানুষ এগিয়ে আসুক এই মহৎ দানে।