
নিজস্ব প্রতিনিধি,মেদিনীপুর:
এক আসনে দিলীপ মমতা বসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লো মেদিনীপুরের বিজেপি কর্মীরা।তৃণমূলের দালাল বলে তার ফটোতে জুতো দিয়ে মেরে পার্টি অফিসে তালা লাগিয়ে ক্ষোভ দেখালো দেখালো এক প্রস্থ। পাশাপাশি তারা বললেন এই নেতাকে আমরা চাই না।

এবার খোদ দিলিপের বিরুদ্ধেই ক্ষোভে ফেটে পড়লো বিজেপি কর্মীরা।রীতিমতো বিক্ষোভের পাশাপাশি দিলিপের ছবিতে জুতো মেরে সেই সঙ্গে বিজেপি পার্টি অফিসে তালা দিয়ে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ রকমই ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সিপাই বাজার বিজেপি পার্টি অফিসে।ঘটনা ক্রমে বলা যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী এদিন দিঘাতে জগন্নাথ দেবের মন্দির যান এবং সেখানে গিয়ে পুজো করেন।এইদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সফর সঙ্গী হয়েছিল টলিউডের এক ঝাঁক তারকা।সেই সঙ্গে তৃণমূলে নেতা কর্মী মন্ত্রীরা।যদিও এই দীঘাতে জগন্নাথ থামে গিয়ে উপস্থিত হন বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

সস্ত্রীক দিলীপ ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহবানে উপস্থিত হয়ে তার সঙ্গে একই আসনে বসে খোঁজ মেজাজে গল্প গুজব করেন।সেই সঙ্গে খোঁজখবর নেন উভয় উভয়ের।এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতে ক্ষোভে ফেটে পড়ে মেদিনীপুরের বিজেপি কর্মী নেতৃত্ব।এদিন রাত্রিবেলায় হাজির হন বিজেপি জেলা পার্টি অফিসে।সেখানে গিয়ে জেলা অফিসে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ নেমে পড়েন তারা। এরই সঙ্গে দিলীপ ঘোষের ফটোতে গিয়ে তারা জুতো মেরে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। দিলীপ ঘোষ মুর্দাবাদ টানা স্লোগান দিতে থাকে বিজেপি কর্মী ও নেতৃত্ব বর্গ। যা নিয়ে রীতিমত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মেদিনীপুর জেলা শহরে।

এই বিষয়ে বিজেপি কর্মী সুজয় দাস বলেন আজকে যে ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা দিলীপ ঘোষ ঘটিয়েছেন তাকে আমরা নেতা হিসেবে মানি না।তাকে আমরা তৃণমূলের দালাল হিসেবে মনে করি।তার সঙ্গে এও বলতে চাই শুধু আজকে নয় গত ২০২১ সাল থেকে দিলীপ ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবে মেদিনীপুরের কয়েকটি আসনে নিজেদের কয়েকজন নেতৃত্বকে টাকার বিনিময়ে দাঁড় করিয়ে ইচ্ছা করে হারিয়েছেন।তখনও আমরা উপরের নেতৃত্ব কে জানিয়েছিলাম।রাজ্য কেন্দ্র নেতৃত্ব তখন বুঝতে পারেনি।আজকে তা প্রমাণিত হয়ে গেল।আমরা এই দিলীপ ঘোষকে আর নেতা হিসাবে মানি না।আমরা তাই তার মুর্দাবাদ স্লোগান দিয়েছি এবং আমরা চাই উনি আমাদের দলে না থাকুক।