Janmashtami Sweet: বালক কৃষ্ণের ‘মাখন মটকা’ জন্মাষ্টমীর স্পেশাল মিষ্টি মেদিনী পুরে কিনতে ভিড় মিষ্টি প্রেমীদের

Share

নিজস্ব প্রতিনিধি,মেদিনীপুর:

ভিন্ন ধরনের নাড়ু এখন অতীত বাজার দখল করেছে মাখন মটকা!জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গোপালের তাই প্রিয় মাখন মটকা হচ্ছে দেদার।ছোট ভাঁড়ের দাম ১৫ টাকা, কেজি পাঁচশো টাকা এবং ১০০ গ্রামের ভারে করেও বিক্রি করছে দোকানের মালকিন। যা কিনতে অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনে ক্রেতাদের ভিড়। মেদিনীপুরে এক নতুনত্ব মিষ্টির কাহিনী।

রাত ফুরোলেই জন্মাষ্টমী আর সেই জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গোপালের প্রিয় “মাখন মটকা” তৈরি করল মেদিনী পুরের একটি মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী।যার চাহিদা মেদিনীপুর জুড়ে। প্রসঙ্গত,শ্রীকৃষ্ণের জন্ম উপলক্ষে জন্মাষ্টমী পালন করে আসছে বাংলা আর বাঙালি। যা ১২ মাসে ১৩ পার্বণ হিসেবেই পরিগণিত হয়।আর এই জন্মাষ্টমীর দিন ছোট গোপালকে তার প্রিয় নাড়ু সহকারে সন্তুষ্ট করে তার ভক্তরা।এরই পাশাপাশি এবারে গোপালের প্রিয় মাখন মটকা তৈরি করেছে মেদিনীপুরের পঞ্চুরচকের মিষ্টান্ন দোকান মিষ্টি মহল। যার উদ্দেশ্যেই হলো ছোট গোপালকে ভেট দেওয়া।মূলত ছানা পাক দিয়ে পাক দিয়ে এবং তাতে মাখন সহকারে এই মটকা মাখন তৈরি করা হয়েছে।যার দাম রাখা হয়েছে ১৫ টাকা পিস।এ এছাড়া ভাঁড়ে করে ১০০ গ্রাম নিলে ৫০ টাকা, ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এই দোকানে।যার চাহিদা ভক্তদের মধ্যে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,মেদিনীপুরের এই কয়েকটি মিষ্টি দোকানে তাদের প্রতি অনুষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের ভিন্ন ভিন্ন মিষ্টি তৈরি করে নজর কাড়ে।বিশেষ করে ভাইফোঁটা, জামাইষষ্ঠী,২৬ শে জানুয়ারি সেইসঙ্গে জন্মাষ্টমী এবং বিধানসভার,লোকসভা ভোটের প্রাক্কালেও রাজনৈতিক মিষ্টি করে নজর কেড়েছে এই মিষ্টি দোকান।সে ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়েই এই মেদিনীপুরের মিষ্টি দোকান মিষ্টি মহল।যার পরিচালনার দায়িত্বে মেঘাশ্রী ও শিল্পাশ্রী নামে দুই বোন রয়েছে।

এ বিষয়ে দোকানের মালকিন মেঘাশ্রী গুহ বলেন,”রাত ফুরোলে জন্মাষ্টমী এবং এই জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গোপালের নাড়ু দেওয়ার চল রয়েছে গোটা দেশজুড়ে। এবং এই জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুধু নাড়ু নয় সেই সঙ্গে আমরা একটা নতুন ধরনের মিষ্টি নিয়ে এসেছি এই মেদিনীপুর বাসীর জন্য।ছানা ও মাখন সহযোগে আমরা তৈরি করেছে মাখন মটকা । যাকে এক কথায় মাখন মিষ্টি বলা হয়।মূলত আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছি ছোট্ট গোপাল মাখন চুরি করতে অভ্যস্ত।আর তাই তার প্রিয় মিষ্টি তৈরি করেছি আমরা। যদিও এই মাখন মটকার চাহিদা এখন তুঙ্গে।অনেকেই অনলাইনে অর্ডার করছে সেই সঙ্গে কিনতে আসছে আমাদের দোকানে।আমরা প্রতিটি অনুষ্ঠানেই চেষ্টা করি জেলা বাসিকে নতুন ধরনের মিষ্টির স্বাদ দিতে।

অন্যদিকে এই দোকানের কারিগর মনোজ গোরাই বলেন,”মিষ্টির মধ্যে নতুনত্ব আনতেই এ প্রয়াস।ছানা এবং মাখন সহযোগে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই মাখন মটকা তৈরি করা হয়েছে।যার চাহিদা রয়েছে এই জেলার মানুষদের।এই মাখন মটকা তৈরি করতে সময় লেগেছে আমাদের অনেকক্ষণ।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in