
মেদিনীপুর 29 সে অগাষ্ট:
সবজির দাম অগ্নি মূল্য বাজারে গেলে কিছুতেই ভরছে না ব্যাগ!তাই এবার সবজির মালা করে গলায় ঝুলিয়ে রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখালো বিজেপি।সেই সঙ্গে তারা অভিযোগ তুলল রাজ্য সরকার এবং জেলা প্রশাসনের।এছাড়াও ফড়েদের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও তারা একাধিক অভিযোগ তুললে এই অবস্থানে বসে।

পুজোর মুখে টানা বৃষ্টি আর অন্যদিকে অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের পাশাপাশি অগ্নিমূল্য সবজির দাম।আলু পেঁয়াজ তো বটেই সেই সঙ্গে নিত্য প্রয়োজনীয় ঝিঙ্গা, উচ্ছে,পটল বেগুন,কুন্দরী এমনকি লাউডাটার দাম অগ্নি মূল্য।বেশিরভাগ জায়গায় দেড়শ টাকা কিংবা ২০০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে এই সবজি।কোথাও কোথাও আড়াইশো তিনশ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন বাজার করতে গিয়ে সবজির আগুনের ছ্যাকা খেয়ে ফিরতে হচ্ছে আমজনতার।যদিও এই নিয়ে এখনো পর্যন্ত ও সরকারিভাবে কোন উদ্যোগ নেয়নি পৌরসভা প্রশাসন।এই নিয়েই এবার আন্দোলনে নামলো জেলা বিজেপি।এদিন নানা রকম সবজির মালা তৈরি করে তারা গলায় পরে বিক্ষোভ অবস্থানে নেমে পড়েন।তারা অভিযোগ করেন কিছু ফড়েদের জন্যই এই সবজির দাম অগ্নিমূল্য।

তারা এও অভিযোগ করেন যেখানে জেলার অন্য প্রান্ত চন্দ্রকোনা ঘাটালে সবজির দাম ৩০ টাকা ৪০ টাকা সেখানে মেদিনীপুর শহরে কেন একশো কুড়ি টাকা দেড়শ টাকা কেজি। বিজেপির এও অভিযোগ ছিল সবজির অগ্নি মূল্য নিয়ে বারে বারে মেদিনীপুর পৌরসভা সেইসঙ্গে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে অথচ এ বিষয়ে তারা সম্পন্ন উদাসীন,নেয়নি কোন ব্যবস্থা। যদি ওই দিন বাজারের সবজিওয়ালাদের পক্ষ হয়ে বিজেপি বলে এই সবজিওয়ালাদের কোন দোষ নেই,এই সবজিওয়ালারা ফড়ে দের কাছ থেকে বেশি মূল্যে জিনিস কেনে,তাই তারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।এদিন রাস্তায় সবজি ঢেলে বিক্ষোভ অবস্থানে বসে পড়ে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব,কর্মী সমর্থক।যা নিয়ে উত্তেজনা জেলা শহরে।

এ বিষয়ে বিজেপির সহ-সভাপতি সংকর গুছাইত বলেন,”যেখানে জেলার শেষ প্রান্ত চন্দ্রকোনা গড়বেতায় সবজির দাম ৩০ টাকা ৪০ টাকা কেজি এখানে মেদিনীপুর শহরে সবজির দাম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। এই ধরনের দুটো দাম কেন হয়?বাজারে গেলে, ব্যাগ ভর্তি হয় না কিছুতেই এত অগ্রিমূল্য সবজির দাম। আলু পিঁয়াজ ঝিঙে উচ্ছে কোন কিছুই কেনা যায় না। আধপেটা খেয়ে থাকতে হচ্ছে আমাদের।এই পরিস্থিতি নিয়ে একাধিকবার জেলা প্রশাসন পৌরসভা কে চিঠি দিয়েছিস কিন্তু কোন উত্তর আসেনি। সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে।এখানকার প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ,সেই সঙ্গে ব্যর্থ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,এবছর এখনো পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত জেলা শহর ও গোটা রাজ্যসহ দেশে।যদি ওই পুজোর মুখে টানা বৃষ্টিতে যেমন ডুবেছে ফসলের ফসল ভর্তি জমি সেই সঙ্গে নষ্ট হচ্ছে সবজি।আর তাই হু হু করে দাম বাড়ছে সবজির।যদিও এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেশ কিছু দালাল ব্যবসায়ী এবং ফড়েরা সবজির দাম বাড়িয়ে তুলেছেন যার জন্য সমস্যায় পড়েছেন আমজনতা।যদিও এই নিয়ন্ত্রণ দরকার বলে মনে করছে জেলার সাধারণ মানুষ।