
মেদিনীপুর 16 ই মার্চ :
‘পেটের গ্যাস থেকে মুক্তি ‘ মেদিনীপুরে আসছেন হায়দ্রাবাদে যশোদা হাসপাতালে বিশিষ্ট ডাক্তার বাবু ললিত কুমার রেড্ডি কান্থালা। আর ভিন রাজ্যে পাড়ি দিতে হবে না, হাতের কাছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চলে আসুন গ্যাসের সমস্যা সমাধান নিয়ে। বড় সার্জারির ক্ষেত্রে এখান থেকেই থাকছে ভর্তি করার সুবিধা।
(Any Query for Yashoda Hospitals Hyderabad, Please call Mr Siddhartha Chowdhury – 7075763956)

দিনের পর দিন খাবার অনিয়ম সেইসঙ্গে ফাস্টফুড এবং তেলে ভাজায় আসক্ত থেকে গ্যাসের সমস্যা বাড়াচ্ছে ৮ থেকে আশির মানুষজনের। বিশেষ করে বাংলা আর বাঙালি এবং বাঙ্গালীদের নানা পদ দিয়ে খাওয়া দাওয়া যা শরীরে টেনে আনছে গ্যাসের তীব্র সমস্যা। তাই বাংলার মানুষজন দিনের পর দিন পাড়ি দিচ্ছেন ভিন রাজ্যের চিকিৎসার জন্য। বয়স্ক মানুষ তো বটেই বাদ যাচ্ছে না শিশু-কিশোর তরুণ তরুণীরা। ভিন রাজ্যে চিকিৎসা করাতে গিয়ে ঘটছে গাঁটের লক্ষ লক্ষ টাকা, সেই সঙ্গে সময়ের অপচয়। এই পরিস্থিতিতে এবার হায়দ্রাবাদ থেকে খোদ মেদিনীপুরে চিকিৎসা করতে আসছেন যশোদা হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট গ্যাস্ট্রো স্পেশালিষ্ট ডক্টর ললিত কুমার রেড্ডি কান্থালা
(Dr Lalit Kumar Reddy Kanthala)। তিনি সপ্তাহে দুদিন দেখবেন রোগীদের স্টেডিয়াম রোডের কেজি অ্যাডভান্স মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। আর তাতে খুশির হাওয়া মেদিনীপুর জুড়ে।

কারণ এতদিন ভালো গ্যাস্ট্রো ডাক্তার ছিল না মেদিনী পুরে, যারা ছিলেন তারা তাদের কাছে ডেট পাওয়া ছিল খুবই কষ্টসাধ্য। দিনের পর দিন ঘুরতে হতো তাদের। এবার যশোদা হাসপাতালে স্পেশালিস্ট ডাক্তার এসে গেল আপনার নিজের হাতে। এইদিন এক সাংবাদিক বৈঠক করে এই যাবতীয় তথ্য তুলে ধরলেন যশোদা হাসপাতালের কর্ণধারেরা এবং সেই সঙ্গে বিশিষ্ট ডাক্তার বাবু ললিত কুমার রেড্ডি কান্থালা। এছাড়াও এই দিনের এই সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন যশোদা হাসপাতালের কর্ণধার সিদ্ধার্থ চৌধুরী ব্যানার্জি সহ অন্যান্যরা।

এই বিষয়ে এই গ্যাস্ট্রো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বাবু ললিত কুমার রেড্ডি কান্থালা বলেন,”এই পশ্চিমবাংলায় দিনের পর দিন যেভাবে ফাস্টফুডে মানুষ আসক্ত হয়ে গেছে সেই সঙ্গে খাবারের অনিয়ম এবং অতিরিক্ত তেল দিয়ে খাবার খাওয়ায় তাতে বাড়ছে গ্যাসের সমস্যা। এই সমস্যা সমাধান করার জন্য অবশ্যই মানুষের সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। তবে তাড়াতাড়ি এলে অবশ্যই সচেতন এবং চিকিৎসা করা যাবে তাতে বাঁচবে জীবন। তাই হায়দ্রাবাদ থেকে যশোদা হাসপাতাল আমায় পাঠিয়েছে বাংলাতে গ্যাসের রোগীদের চিকিৎসা করার জন্য।”

অন্যদিকে যশোদা হাসপাতালের কর্ণধারেরা বলেন,”মানুষের মনে দীর্ঘ দিনেরই ধারণা রয়েছে যে হায়দ্রাবাদে গ্যাস রোগীদের সঠিক ট্রিটমেন্ট হয়। কিন্তু এই হায়দ্রাবাদ যেতে গিয়ে এই বাংলার মানুষের প্রচুর হয়রানি শিকার হতে হয় কারণ সময়ের অপচয় সেই সঙ্গে টাকার সমস্যা। এই পরিস্থিতিতে যাতে ডাক্তারকে রোগীদের কাছে নিয়ে আসা যায় তার জন্যই আমাদের গ্যাসের স্পেশালিস্ট ডাক্তার এবার মেদিনীপুরে আসছেন রোগী দেখতে। এখানে তিনি রোগী দেখবেন এরপর যদি তার চিকিৎসার প্রয়োজন হয় তখন তিনি যশোদা হাসপাতালে রেফার করবেন।