
কেশিয়াড়ী 19 সে জানুয়ারী:
কারখানায় কাজ করতে গিয়ে সিলিকোসিস আক্রান্ত পরিবার। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালো মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ। পড়ার বই দিয়ে সাহায্যের হাত।পরিবারটির দুরাবস্থার খবর সমাজকর্মী ঝর্না আচার্যর কাছ থেকে জেনে অমিতের পুরো বই পৌঁছে দেওয়ার ব্যাবস্থা করেছে ছাত্রসমাজ।

কেশিয়াড়ী ব্লকের নছিপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েত এর কোপরাড় গ্ৰামের বাসিন্দা অমল কর। পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক। রামিং ম্যাস (পাথর গুঁড়োর কারখানা ) কারখানায় কাজ করতে গিয়ে সিলিকোসিস আক্রান্ত হন। সরকারি সিলিকোসিস কার্ড পেয়েছেন জেলা সিলিকোসিস বোর্ড-এর মাধ্যমে। রাজ সরকারের সিলিকোসিস পলিসি অনুযায়ী কার্ড পাওয়ার পর আবেদন করলেই আক্রান্ত ব্যাক্তি ক্ষতিপুরন ২ লক্ষ টাকা এবং মাসে ৪ হাজার টাকা পেনশন পাওয়ার কথা।প্রায় ৪ মাস অতিক্রান্ত হয়েও সরকারী লাল ফিতের ফাঁসে আটকে ক্ষতিপূরণ।ছেলে অমিত কর দশম শ্রেণীতে নছিপুর আদিবাসী হাইস্কুলে পড়ে।চিকিৎসা করাতে গিয়ে সর্বশান্ত হয়ে এখন মৃত্যুর দিন গুনছেন অমল কর।কারন এই রোগে কেউ বেশিদিন বাঁচে না।ছেলেকে পড়ানোর ইচ্ছা থাকলেও পড়াশোনার খরচ ও নিজের ঔষধ এর মধ্যে দ্বন্দ্ব ও টানাপোড়েন এর মাঝেই পরিবারটিকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ।

পরিবারটির দুরাবস্থার খবর সমাজকর্মী ঝর্না আচার্যর কাছ থেকে জেনে অমিতের পুরো বই পৌঁছে দেওয়ার ব্যাবস্থা করেছে ছাত্রসমাজ।গত ১২ ই জানুয়ারী রবীন্দ্র নিলয় মুক্তমঞ্চে জেলার দুঃস্থ মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের বই বিতরন কর্মসূচীতে বাসভাড়া না থাকায় যেতে পারে নি অমিত সোমবার দুধেবুধে হাইস্কুলের পার্শ্ব শিক্ষক সোমনাথ আচার্য্য বইগুলি স্কুলের সামনে গিয়ে অমিতের হাতে তুলে দিলেন।