Midnapore Court: এবার মেদিনীপুরে জেলা আদালতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের নামে বোমা তঙ্ক ! মেলের আতঙ্কে ঘন্টা দেড়েক কাজের ক্ষতি বলে দাবি আইনজীবীদের

Share

মেদিনীপুর 6 ই মার্চ :

এবার বাংলাদেশ হাই কমিশনের নামে বোমাতঙ্ক মেদিনীপুর জেলা আদালতে। যার জেরে কঠোর নিরাপত্তা মুড়ে ফেলা হলো জেলা আদালত, পুলিশ কুকুর এবং বোম স্কোয়াডের লোকজন দিয়ে নিরাপত্তা বিষয়টা খতিয়ে দেখা হলো কঠোরভাবে। যদিও এই ঘটনা কে ‘ভুয়ো বলে কাজের ক্ষতি’দাবি আইনজীবীদের।

অন্যান্য জেলার পাশাপাশি এবার খোদ মেদিনীপুর জেলা আদালতে বোমাতঙ্ক। যা নিয়ে চাঞ্চল্য জেলা আদালত চত্বরে। পুলিশ সূত্র অনুযায়ী জানা যায় এদিন বেলা নাগাদ জেলা আদালতে মেল মারফত একটি খবর আসে বাংলাদেশ হাই কমিশনের নামে আদালত চত্বরে রয়েছে বোমা। এই খবর দেওয়া হয় জেলা আদালতের তরফ থেকে।এরপরই অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে পুলিশ স্নিফার ডগ এবং বোম্ব স্কোয়াড এর লোকজন নিয়ে হাজির হয় আদালতে।তারা এসে বিভিন্ন আদালত চত্বর ঘুরে দেখেন। স্নিফার ডগ দিয়ে নিরাপত্তা বিষয়টা খতিয়ে দেখা হয় বারংবার। এরই সঙ্গে বোম্ব স্কোয়াড এর লোকজন তাদের ইলেকট্রনিক্স গেজেট দিয়ে পরীক্ষা করেন এজলাস গুলি। টানা ঘন্টাখানেক এই নিরাপত্তা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। যদিও এই নিয়ে কিছুটা রুষ্ট হন কোর্টের আইনজীবীরা। অনেকেই আবার এটাকে বিভ্রান্তিকর ফোন মেসেজ করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ এনেছেন।

তবে কেন ভিন্ন ভিন্ন জেলায় বারবার ধরে জেলা আদালত গুলো টার্গেট করা হচ্ছে, তাই নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দেয়। অনেকেই আবার প্রশ্ন করছেন ভুয়ো খবরের সক্রিয়তা নিয়ে। যদিও এই নিয়ে আইনজীবীরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হন কোর্টের কাজে ব্যাঘাত ঘটার জন্য। যদিও এই নিয়ে কোতয়ালি থানার এক পুলিশ আধিকারিক বলেন অন্যান্য জেলার মতো এখানেও একই মেসেজ পাওয়া গিয়েছে আর তার জন্যই ছুটে আসা। আমরা পুরো আদালত চত্বর খতিয়ে দেখছি। এখনই নিরাপত্তার খাতিরে বেশি কিছু বলা সম্ভব না।

যদিও এ বিষয়ে জেলার পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালী বলেন,”জেলা জেলা আদালত মারফত আমাদের কাছে একটি মেইল আসে তার জন্য আমরা পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখছি। তবে যে মেইল টা এসেছে সেটা বাংলাদেশ হাই কমিশনের নামে যার সঙ্গে এখানের কোন যোগ নেই। তবুও নিরাপত্তায় কোন খামতি না থাকে তার জন্য আমরা পুরো বিষয়টাকে খতিয়ে দেখেছি, যদিও কিছু পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কোর্টের APP আইনজীবী গৌতম মল্লিক বলেন,”সকালে কাজ করতে গিয়ে খোঁজ পেলাম চত্বরে নাকি বৌমা তর্কের কোন মেসেজ বা মেইল এসেছে। এরপর দেখি বিরাট পুলিশ বাহিনী তাদের কুকুর নিয়ে এসে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখছে। এটা একটা ফেক নিউজ বা ভুয়ো খবর এবং পুলিশের উচিত এটা কোথা থেকে উৎপত্তি বা কোথা থেকে এসেছে তা খতিয়ে দেখা এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা। বাকিটা তদন্তের খাতিরে কিছু বলা সম্ভব নয় তদন্ত করেই তারা দেখছেন পুরো বিষয়টা।

এই বিষয়ে আইনজীবী শক্তিপদ দাস অধিকারী এবং সুদীপ দাস বলেন,”কোন ভুয়ো খবর বা অসাধু ব্যক্তি এই ধরনের মেসেজ দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে কিন্তু আমাদের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। পাশাপাশি তাদের বক্তব্য এই ভুয়া খবরের দ্বারা প্রায় ঘন্টা দেড়েক কাজের ক্ষতি হয়ে গেল আমাদের। তবে পুলিশ পুরো কঠোরভাবে বিষয়টা খতিয়ে দেখছে।



Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in