
ঘাটাল 14 ই জানুয়ারি:
মেদিনীপুর জেলার ঘাটালে অনুষ্ঠিত হলো হিন্দু সম্মেলন।এই হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করেন ঘাটালের সনাতনী নাগরিকবৃন্দ।এই সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বামী প্রদীপ্তা নন্দ মহারাজ হরফে কার্তিক মহারাজ।এই মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কার্তিক মহারাজ বলেন একহাতে অস্ত্র এবং এক হাতে শাস্ত্র নিয়ে চলতে হবে,ভগবান আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন আমাদের বাঙালি হিন্দুদের কখনো প্রতিবাদ,কখনো প্রতিরোধ ও কখনো প্রতিশোধ নিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

শুরু হয়ে গেছে ভোটের প্রচার ও ভোটের দেওয়াল লিখন। ইতিমধ্যে ভোট প্রচারে নেমে পড়েছে শাসক বিরোধীরা। এই আবহে অনেক আঞ্চলিক দলেরও উদ্ভব ঘটছে এই রাজ্যে।এরই মধ্যে এবার ঘাটালে হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করেন ঘাটালের সনাতনী নাগরিকবৃন্দ। আর শেষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে আসেন স্বামী প্রদীপ্তা নন্দ মহারাজ হরফে কার্তিক মহারাজ। এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে বরণ পর্ব প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের পরেই বক্তব্য রাখেন কার্তিক মহারাজ।তবে এবারে বক্তব্যে প্রথম থেকেই চাঁছাছোলা ভাষায় হিন্দুদের জেগে ওঠার আহ্বান জানান,শক্ত হাতে প্রতিরোধ করতে ডাক দেন মা বোনদের। বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করে তিনি বক্তব্যে বলেন,”আজকের দিনে নিজেদের মা-বোনদের এবং মেয়েকে রক্ষা করতে রিভলবার হয়তো আপনারা তুলে দিতে পারবেন না কিন্তু তাকে লঙ্কাগুড়োর প্যাকেট দিয়ে রাখতে পারেন।

সেই সঙ্গে মহিলাদের সম্ভম রক্ষার্থে তারা রাস্তায় প্রতিবাদ প্রতিরোধ করবে এবং মা দুর্গার ত্রিশূল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে দুষ্টের দমন করতে। পাশাপাশি রাজ্য কেন্দ্রের দাদা দিদিদের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন আপনাদের আজকের দিনে দাদা বা দিদি কেউ রক্ষা করতে আসবে না আপনাদেরকে রক্ষা করতে হবে নিজেদেরকে।এরই সঙ্গে দুষ্টের দমন করতে বিনয় বাদল দিনেশে মতো দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া পুত্রদের জন্ম দিতে অনুরোধ করেন কার্তিক মহারাজ। স্বামী বিবেকানন্দের বাণী টেনে তিনি বলেন সত্যের জন্য সবকিছু ত্যাগ করা যায় কিন্তু অন্য কিছুর জন্য কখনো সত্যকে ত্যাগ করা যায় না। এছাড়াও তিনি এই দিন জেলা এবং রাজ্যের মহিলাদের এই পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান। দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন এ আগে ভেড়া নেতৃত্ব দিত তাই দেশের পরিস্থিতি ওরকম ছিল এখন সিংহ নেতৃত্ব দিচ্ছে তাই দেশ উন্নতি ঘটছে।

শেষে তিনি এও বলেন একহাতে অস্ত্র এক হাতে শাস্ত্র নিয়েই দেশের উন্নতি সম্ভব ধর্মকে সঙ্গী করে এক হাতে শাস্ত্র আর এক হাতে অস্ত্র নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।শাস্ত্রবিহীন বা অস্ত্রবিহীন হয়ে কখনোই দেশের উন্নতি সম্ভব না।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই আসরে নামছে শাসক বিরোধীরা।তারই পাশাপাশি তার শাখা সংগঠনগুলিও ইতিমধ্যে নেমে পড়েছে।তবে এবারের রাজ্যের ভোটে হিন্দু মানুষ গুলোকে একজোট করার জন্যও ইতিমধ্যে উঠে পড়ে লেগেছে ধর্মীয় সংগঠনগুলি।