Gophgarh: বাইক পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ! গোপ গড় পার্ক সংলগ্ন এলাকায় গাছ থেকে দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার,তদন্তে পুলিশ

Share

গোপগড় 19 সে ফেব্রুয়ারি:

ভর সন্ধ্যায় পার্ক সংলগ্ন এলাকায় দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার। যদিও কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা। তবে এলাকার কাউন্সিলর এর মতে ধার দেনার কারণে অর্থনৈতিক ভাবে সমস্যায় ভুগছিলেন এই দম্পতি যার জন্য অনেক কথা শুনতে হয়েছে তাদের, এই ঘটনা তারই কারণ বলে মনে হচ্ছে। যদিও পুলিশ সূত্রে জানা যায় ময়নাতদন্ত হওয়ার পরই জানা যাবে আসল কারণ

এবার জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় উদ্ধার হলো দম্পতির ঝুলন্ত মৃতদেহ,যা চাঞ্চল্য সংশ্লিষ্ট এলাকায়। সূত্র অনুযায়ী এইদিন সন্ধ্যায় মেদিনীপুর সদরের গোপ গড় পার্ক সংলগ্ন এলাকায় একটি মোটর বাইক পড়ে থাকতে দেখেন পার্ক কর্তৃপক্ষ।এরপর গুড়গুড়িপাল পুলিশে খবর দেওয়া হয়।পুলিশ এসে খুঁজে মৃতদেহ উদ্ধার করে।সন্ধ্যার পর অন্ধকারে খুঁজে সেই গাছ থেকে নিথর দেহ দুটি নামায়। সেই দেহ উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিত। কিভাবে এই ঘটনা ঘটলো কেনই বা ঘটল তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে ওই দম্পতির বাড়ি মেদিনীপুর শহরের পানপাড়া এলাকায়।যুবকের নাম পিন্টু দাস(৩৮) স্ত্রী মধুমিতা দাস(৩২)।

এই মৃত যুবক মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ এর কাজ করে। তাদের একটি বড় মেয়ে আছে একটি ছোট ছেলে রয়েছে।তবে কেন এই কান্ড ঘটালো এই দম্পতি প্রতিবেশীরা কিছুই বুঝতে পারছে না। যদিও সূত্র অনুযায়ী জানা যায় টাকা চেয়ে এই দিন এবং কয়েক দিন ধরে বারবার করে পিন্টু আবেদন জানিয়েছিল।তবে রহস্যজনক এই মৃত্যু নিয়ে নানান জল্পনা।এই খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসে এলাকার কাউন্সিলর সহ পরিবারের লোকজন। কাউন্সিলরের মতে এই দম্পতি আর্থিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি কিছু টাকার জন্য বেশ কিছু মানুষ নানারকম কথা বলে যায়। তার জন্য এই চরম সিদ্ধান্ত।

যদিও এই বিষয়ে বাড়ির এক সদস্য বলেন,”আমাদের কাছে গুড়গুড়িপাল থানার পুলিশের কাছ থেকে ফোন আসে এবং আমাদেরকে মৃতদেহ দেখতে আসতে বলে। আমরা ভাবতেই পারছি না দাদা বৌদি এইভাবে সুসাইড করে মারা যাবে। কারণ ওদের মধ্যে কোনদিনই অশান্তি হয়নি বা সেভাবে চোখে পড়েনি। দুটো বাড়িতে বাচ্চা রয়েছে।কি কারনে ঘটনা ঘটলো তা বলতে পারছি না আমরা।

যদিও এই নিয়ে এলাকার কাউন্সিলর মোজ্জামেল হোসেন বলেন,” ঘটনাটা বড়ই মর্মান্তিক বড়ই বেদনাদায়ক।এলাকার খুব ভালো ছেলে ছিল এই যুবক। তাদের একটি ছেলে একটা মেয়ে রয়েছে। খুবই মিশুকে পরিবার। তবে শুনেছিলাম এই দম্পতির ধার দেনা হয়ে যাওয়ায় কিছু লোক নানা রকম কথা শুনিয়ে যায়।হয় তো তার জন্যই এই ঘটনা ঘটিয়েছে এই দম্পতি।

তবে এ বিষয়ে গুড়গুড়িপাল থানার পুলিশ অফিসাররা কিছু বলতে রাজি হননি।এক আধিকারিক সূত্রে জানা যায় বডি গুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে,সেই সঙ্গে ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in