
মেদিনীপুর 16 ই জানুয়ারি:
“এই ২৬ এর নির্বাচনে মেদিনীপুরের ১৫ টি বিধানসভার জেতা দুই বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে আসতে চাইছে কিন্তু তৃণমূলের কথা ভেবে তাদের দরজায় আমি আটকে রেখেছি”মঞ্চ থেকে এভাবে বিজেপি বিধায়কদের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি এদিন তিনি নির্বাচন কমিশনে তালিকায় মৃত তিন ভোটারকে স্টেজে তুললেন জীবিত অবস্থায়।

নির্দিষ্ট কর্মসূচি অনুযায়ী এদের মেদিনীপুরে সভা করতে এলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড,যুবরাজ,সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন তার সভা দুপুর একটার সময় থাকলেও তিনি দুপুর তিনটা নাগাদ এসে পৌঁছান সভাস্থলে।মেদিনীপুর শহরের কলেজ কলিজিয়েট মাঠে এই সভা মঞ্চ করা হয়েছিল তিন লেয়ারে বিভক্ত। একদিকে কাউন্সিলর ব্লক সভাপতিরা বসে ছিলেন মধ্যিখানে মন্ত্রী জেলা সভাপতি ছিলেন এবং শেষের দিকে বিভিন্ন কর্মাধ্যক্ষ সহ ঝাড়গ্রাম সাংগঠনিক নেতৃত্বরা বসেছিলেন।তবে দিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৬ এর নির্বাচনে জেলার ১৫টি বিধানসভা জেতার ডাক দেন যুবরাজ।পাশাপাশি তিনি বলেন এই ১৫ টি বিধানসভার মধ্যে দুটি বিধানসভা বিজেপির।একটি হলো খড়্গপুর হিরন চট্টোপাধ্যায় অন্যটি হল ঘাটালের শীতল কপাট।তিনি অভিযোগ করেন এই দুই বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে ঢোকার চেষ্টা করছে।

বহুবার আবেদন নিবেদন করছে,আসতে চাইছে তৃণমূলে কিন্তু তৃণমূলের কথা ভেবে এবং আপনাদের কথা ভেবে আমি তা দরজা আটকে রেখেছি।আমি মনে করি একসময় যারা সিপিএমের হার্মাদ ছিল তারা আজ বিজেপিতে।তাই তাদেরকে কোনভাবেই তৃণমূল দলে নেওয়া হবে না।পাশাপাশি এই দিন তিনি মনে করিয়ে দেন হিরন আগে কিভাবে তৃণমূলে যোগাযোগ করেছিল এবং দেখা করতে গেছিল তার অফিসে।এরই পাশাপাশি এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় SIR এ মৃত অথচ বর্তমানে জীবিত তিন ভোটার কে নিজের স্টেজে তোলেন।তিনি বলেন নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলার ভোটারদের মৃত ভোটার দেখিয়ে দেশ থেকে তাড়াতে চায় তাই আজকে আপনাদের সামনে আমি জীবিত অবস্থায় মৃত ভোটারকে তুলে দেখালাম ।উনাদেরকে বোঝাতে চাই SIR এর নাম করে বাংলার একটাও ভোটার নাম বাদ গেলে তার শেষ দেখে ছাড়বে তৃনমূল।

যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর শীতল কপাটে বিজেপি যাওয়া প্রসঙ্গে শীতল কপাট বলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষেপে গেছে।তিনি বলেন বিজেপি একটি রাষ্ট্র বাদী দল এবং তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি।এই ২০২৬ এ নির্বাচনে পিসি এবং ভাইপোর বিসর্জন হবে,তাই তারা ভুলভাল বকছেন।