
নিজস্ব প্রতিনিধি,মেদিনীপুর:
প্রসূতিদের জন্য বিশেষ সুবিধা যুক্ত অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চয় যানের ড্রাইভারের দাবি মত বকশিশ না মেলায় নামিয়ে দিলেন প্রসূতিকে যানিয়ে উত্তেজনা মেদিনীপুরে।যদিও শেষ পর্যন্ত সংবাদ মাধ্যমের কর্মী এবং হাসপাতালে নিরাপত্তা রক্ষীরা দৌড়ে আসায় নিজের ভুল বুঝতে পেরে প্রসূতিকে গাড়িতে তুলে বাড়ি পৌঁছে দিলেন ড্রাইভার।

এবার অভিযোগ উঠল প্রসূতিদের নিয়ে যাওয়া সরকারি সুবিধা যুক্ত নিশ্চয় যানের বিরুদ্ধে।যা নিয়ে উত্তেজনা ছড়ালো মেদিনীপুরে।ঘটনা ক্রমে জানা যায়, বেলদার বাসিন্দা ত্রিলোচন জানা নামে এক দম্পতি তার স্ত্রীকে ভর্তি করেছিলেন মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের মাতৃমাতে কয়েকদিন আগে।এরপর তার শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় অনুসারে ছুটি দিয়ে দেয় মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাতৃমা।এই দম্পতি এরপর স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে যাবার জন্য হাসপাতালে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা নিশ্চয় যানের সঙ্গে কথা বললে ড্রাইভার মুখের উপর বলে দেন সরকারি সুবিধা হিসেবে গোটা যাতায়াত ফ্রি থাকলেও বকশিসের জন্য ৪০০ টাকা দিতে হবে।এই দম্পতি টাকা দিতে অস্বীকার করায় বেঁকে বসে গাড়ির ড্রাইভার।এরপর অভিযোগ যে ওই ড্রাইভার প্রসূতি কে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেন।যা নিয়ে কিছুটা ভেঙে পড়েন এই দম্পতি।

এরপর তিনি দাঁড়িয়ে থাকা ওইখানকার নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে অভিযোগ জানালে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা দৌড়ে আসেন।এরপর এই ড্রাইভারকে খোঁজ করে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন সরকারি সুবিধাযুক্ত গাড়ি ফ্রি কিন্তু আমি শুধুমাত্র বকশিশ চেয়েছিলাম।পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে তিনি বলেন আমি রোগীকে নিয়ে যাব।

এ বিষয়ে এই দম্পত্তি বলেন বাচ্চাও বাচ্চার মাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি সুবিধাযুক্ত এই ১০২ নাম্বার নিশ্চয় যান অ্যাম্বুলেন্স এর সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনিও গাড়িতে উঠতে বলেন।এরপর আমরা উঠে গেলে তিনি বলেন ৪০০ টাকা বকশিশ লাগবে।আমরা তাকে বলে বলি যে এটা সম্পূর্ণ তো ফ্রি এবং প্রসূতি মায়েদের সুবিধের জন্য। কিন্তু ড্রাইভার বকশিশ নেবেন সেই দাবিতে অনড় থাকেন এবং আমাদের নামিয়ে দেন।

যদিও শেষ পর্যন্ত সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা ওই ড্রাইভারকে খুঁজে প্রশ্ন করলে তিনি তার ভুল বুঝতে পারেন এবং তড়িঘড়ি ওই রোগী কে গাড়িতে তুলে নিয়ে সটান বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।