Madhyamik 2026: মুসকিল আসান যখন অভিষেক ব্যানার্জী!জীবনের প্রথম পরীক্ষায় বসতে চলেছে নমিতা

Share

কেশপুর 2 রা ফেব্রুয়ারি:

এবার এক পড়ুয়ার মুশকিল আসান হল তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড,যুবরাজ অভিষেক ব্যানার্জি।জীবনের প্রথম পরীক্ষা মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু না হওয়ায় রাতারাতি ইস্যু হলো অ্যাডমিট কার্ড।অবশেষে দুশ্চিন্তা কাটিয়ে পরীক্ষা দেবে নমিতা।পড়ুয়া তার পরিবার ধন্যবাদ জানালেন অভিষেক ব্যানার্জি, মন্ত্রী শিউলি সাহা এবং পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সংশ্লিষ্ট সকল আধিকারিককে।

অসময়ে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড এর মানবিক হস্তক্ষেপে এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংকটের অবসান ঘটল।ঘটনাক্রমে জানা যায় কেশপুরের উচাহার স্কুলের ছাত্রী নমিতা বাগ কয়েকদিন ধরে দুশ্চিন্তায় ঘুম ধরছিল না।তার কারণ কোন কারণ বশত তার মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু হয়নি।জীবনের প্রথম পরীক্ষায় কি ভাবে বসতে পারবে তার জন্য চারিদিকে আবেদন করতে থাকে কিন্তু লাভ হয় নি।তাহলে কি জীবনের প্রথম পরীক্ষায় বসা হবে না তার!এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি জানার পর এই স্কুলের সভাপতি সেক হবিবুর রহমান উদ্যোগী হন।তিনি কেশপুরের বিধায়ক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত প্রতিমন্ত্রী শিউলি সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।এরপর বিদ্যালয় থেকে ছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর সংগ্রহ করে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর অফিসের সুমিত বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করেন।সুমিত বাবু বিষয়টি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়কে অবহিত করেন।

তাঁর নির্দেশে পর্ষদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করা হয়।রবিবার হওয়া সত্ত্বেও এইদিন পর্ষদ থেকে প্রধান শিক্ষক কে ফোন করে ডেকে পাঠানো হয়।এরপরেই এতদিন অ্যাডমিট কার্ড না পাওয়া নমিতা বাগ কে অ্যাডমিট কার্ড প্রদান করা হয়।কার্ড পেয়েই প্রধান শিক্ষক,পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীর মা বাড়ি ফেরেন।এই ঘটনায় পরিবার,বিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট সকলেই আজ অত্যন্ত আনন্দিত ও স্বস্তিতে আছেন।অ্যাডমিট কার্ড পেয়ে উচ্ছ্বসিত পড়ুয়া ও তার পরিবার এই মানবিকতা,দ্রুত পদক্ষেপ ও দায়িত্বশীল সহযোগিতার জন্য অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে।পাশাপাশি অশেষ ধন্যবাদ জানান সুমিত বাবুকে,মন্ত্রী শিউলি সাহা এবং পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সংশ্লিষ্ট সকল আধিকারিককে।

এই বিষয়ে সেক হবিবুর রহমান ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, “ওই পড়ুয়াদের বাড়ীতে গিয়ে যখন ঘটনা জানতে পারলাম তখন সান্তনা দিয়ে বললাম তোমরা তৈরি হও। তোমাদের আমি কলকাতা নিয়ে যাব।স্কুলে ১১ টার সময় গিয়ে প্রধান শিক্ষক কে সঙ্গে নিয়ে মেয়ের মা ও বাবা কে সঙ্গে নিয়ে চার চাকা ভাড়া করে বিকাল ৪.৪৫ সময় নিবেদিতা ভবনে গিয়ে পৌঁছায়।সেখানে গেলে দায়িত্বে থাকা দারোয়ান ভিতরে কোন ভাবেই প্রবেশ করতে দেন না।এরপর শিউলিদি কে ফোন করলে।তার ফোন ওই দারোয়ান ধরতে চাই না।তখন দিদি সুমিত বাবু কে ফোন করে পাশাপাশি আমি ও ফোন করি।কিছুক্ষন পর এক কর্মী এসে বলে ব্রার্ত্য বসুর ফোন এসেছে।অভিষেকদার অফিস থেকে সুমিত ফোন করেছে।আপনারা উপরে আসুন।তার পর আমাকে ও প্রধান শিক্ষকে উপরে নিয়ে গিয়ে কাগজ তৈরি করেন।এরপর এইদিন বেলা ১২ টার সময় অফিসে গিয়ে সই করে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে বাড়ি ফিরে মা ও মেয়ে।”



Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in