
পিংলা 31 সে আগস্ট:
অবশেষে দেরিতে হলেও বোধদয় কমিশনের।দীর্ঘ টাল বাহানার পর ১৮০৪ জনের টেন্টেড তালিকা প্রকাশ কমিশনের যাতে ৩৯ নম্বরের নাম রয়েছে পিংলার জলচকের অঞ্চল সভাপতি অজয় মাঝির নাম। এই নিয়ে এই শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ না হলেও শাসকদলের বক্তব্য এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোন সম্পর্ক নেই,ছবি থাকলেই কেউ দোষী হয়ে যায় না। যদিও কটাক্ষ করেছে বিজেপি।

অবশেষে টেণ্টেড তালিকা বা দাগি শিক্ষকদের তালিকা অবশেষে প্রকাশ করেছে কমিশন।গতকাল শনিবার রাতে মোট ১৮০৪ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে যার মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে পিংলার অঞ্চল সভাপতি অজয় মাঝির নাম।আর যা নিয়ে চাঞ্চল্য পশ্চিম মেদিনীপুর জুড়ে। মূলত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অবশেষে টেন্টেড বা দাগি শিক্ষকদের নামে তালিকা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।মোট ৩৩ পাতার একটি তালিকায় ১৮০৪ জনের নাম প্রকাশ পেয়েছে।যার মধ্যে বহু প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা নেত্রীর নাম।পাশাপাশি নাম রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলার জলচকের অঞ্চল সভাপতি অজয় মাঝির নাম। কে এই অজয় মাঝি? এই অজয় মাঝি একদিকে মোহাড় ব্রহ্মময়ী হাই স্কুলের বাংলার নবম দশম শ্রেণীর কর্মরত শিক্ষক অন্যদিকে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার পিংলার জলচকের তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি।তার নাম রয়েছে এই তালিকায়।

যা নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য জেলায়।যদিও এ বিষয়ে অজয় মাঝিকে বার বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।অন্যদিকে এই নিয়ে তৃণমূল সাফ জানিয়ে দিয়েছে অজয় মাঝি আগে পদে ছিল না এখন পদে রয়েছে। তখন আবেদন করেছিল চাকরির জন্য তারপর চাকরি পেয়েছে।একসঙ্গে ছবি থাকলেই দোষের কিছু হয় না বলেই দাবি তৃণমূল জেলা সভাপতির। যদিও এই নিয়ে কটাক্ষ বিজেপির।

এ বিষয়ে দাগি শিক্ষকদের পাশে তৃণমূল নেই তা পরিষ্কার করেছেন তৃণমূল জেলা সভাপতি।তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন আমি আমার কার্যকালে কাউকে চাকরি দিয় নি,কারো চাকরি থেকে বঞ্চিত করিনি।তার পাশাপাশি তিনি ও বলেন তিনি হয়তো সেই সময় ওই শিক্ষক হয়তো আবেদন করেছিলেন শিক্ষকের চাকরি হিসেবে তখন তৃণমূলের কোনো পদে ছিলেন না।কিন্তু তারপর হয়তো পদ পেয়েছেন।আমার সঙ্গে অনেকেরই ছবি থাকতে পারে।তবে তারপর তার কি হবে বা কি হল সে বিষয়ে দায়িত্ব আমার নয়।

যদিও এই নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।বিজেপি রাজ্য মহিলা মোর্চা সভানেত্রী অন্তরা ভট্টাচার্য বলেন,”উনি এই এলাকার অঞ্চল সভাপতি,অন্যদিকে দাগী অপরাধী শিক্ষকের তালিকায় নাম প্রকাশ।এই নিয়ে শুধু এইটুকুই বলবো দেরিতে হলেও বোধোদয় হয়েছে কমিশনের।তবে দুর্নীতির সঙ্গে যে রাজ্য সরকার অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িত এবং মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।টপ টু বটম সবাই দুর্নীতিতে যুক্ত।