
চন্দননগর 18 ই আগস্ট:
মূলত গত 15 ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এই সাঁতারু বাড়ি গিয়ে দেখেন,শোকেসে রাখা সমস্ত মেডেল উধাও হয়ে যায় সেই সঙ্গে পদ্মশ্রীর পদক পর্যন্ত।সেই মেডেলের সংখ্যা 300 -র বেশি।স্রেফ অর্থের নিরিখে সেগুলির মূল্যায়ন অসম্ভব।

‘পদ্মশ্রী’ সাঁতারু বুলা চৌধুরীর বাড়িতে চুরি ৩০০ মেডেল, চোরাই মাল উদ্ধার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে। প্রসঙ্গত,পদ্মশ্রী বুলা চৌধুরী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাঁতারু, দেশ এবং রাজ্যের অহঙ্কার।অনেকেই জানেন, তাঁর আদি বাড়ি উত্তরপাড়ার হিন্দমোটর এলাকায়।যদিও নিয়মিত থাকেন না সেখানে।গত ১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বাড়ি গিয়ে দেখেন, শোকেসে রাখা সমস্ত মেডেল উধাও,এমনকি পদ্মশ্রীর পদক পর্যন্ত।মেডেলের সংখ্যা ৩০০-র বেশি। স্রেফ অর্থের নিরিখে সেগুলির মূল্যায়ন অসম্ভব।এই ঘটনায় দ্রুত পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন বুলা দেবী।অভিযোগ পেয়েই তদন্তে নামে পুলিশ প্রশাসন।পুলিশের কথা মত,”তাঁর বাড়িতে পৌঁছে আমরা আবিষ্কার করি,বাড়ির সিসিটিভি কাজ করছে না এবং আরও কিছু ছোটখাটো জিনিস চুরি হয়েছে।যেমন বাথরুমের কল,কিছু ধাতুর মূর্তি ইত্যাদি।এমন জিনিস, যা থেকে আর্থিক লাভের সম্ভাবনা খুব বেশি নয়।


আমাদের অভিজ্ঞতা বলে,এই ধরনের মামলায় অপরাধীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হয় ছিঁচকে চোর অথবা মাদকাসক্ত ব্যক্তি,যারা চোরাই মাল বেচে দেয় স্থানীয় ‘স্ক্র্যাপ ডিলার’ অর্থাৎ রদ্দির কারবারিদের কাছে।
সেই মতো স্থানীয় কারবারিদের সম্পর্কে খোঁজখবর করতেই আমাদের নজরে পড়েন মহঃ চাঁদ (৪৫), যাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয় সমস্ত চোরাই মাল।তিনি জানান, বিক্রেতারা শ্রীরামপুরের দুই বাসিন্দা কৃষ্ণ চৌধুরী (১৯) এবং শেখ শামিম (২০)। মহঃ চাঁদ এবং কৃষ্ণকে গ্রেফতার করা হয়।জানা যায় যে বাড়ি খালি দেখে সে ১২ এবং ১৪ আগস্ট বাড়িতে চুরি করার সিদ্ধান্ত নেয় কৃষ্ণ এবং শামিম।যদিও এখনও পলাতক শামিম।যদিও চুরি হওয়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার হয়েছে ৩০০-র বেশি অমূল্য মেডেল।

এছাড়াও তিনটি ব্রোঞ্জের মূর্তি,কিছু রুপোর থালা সমেত বাসনপত্র,ইত্যাদি।পদ্মশ্রীর স্মারকটি শুধু পাওয়া যায়নি।আমরা আশাবাদী, উদ্ধার করে ফেলব শীঘ্রই।