
নিজস্ব প্রতিনিধি,মেদিনীপুর:
কর্মবিরতিতে চালিয়ে যাওয়া জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে এসে দাঁড়ালো আইএম এর সদস্যরা। এদিন পাঁচ সদস্যের একটি দল খতিয়ে দেখতে আসেন,ঘটনা পরিদর্শন করেন এবং যাওয়ার আগে বলে যান এই জুনিয়ার ডাক্তারদের কোন দোষ ছিল না,দোষ ছিল না সিনিয়রদেরও।তবে সাসপেনশন নিয়ে বললেন তাদের আমরা পাশে রয়েছি এবং আইনি সহায়তা যা লাগে আমাদের তরফ থেকে দেওয়া হবে।

গত ৯ জানুয়ারি মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাতৃমাতে পরপর পাঁচ প্রসূতি সন্তান জন্ম দেয়ার পর অসুস্থ হয়ে যায়।আর সেই ঘটনায় স্যালাইনের বিষক্রিয়া সেইসঙ্গে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে রোগীর পরিবার এবং রাজ্য সরকার। সেই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় ইতিমধ্যে তাদের সাসপেন্ড ও থানায় অভিযোগ দায়ের পরিপ্রেক্ষিতে লাগাতার কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়ার ডাক্তারদের একাংশ।মূলত গাইনো এবং এনোস্থেসিস ডিপার্টমেন্টের জনা কুড়ি জুনিয়র ডাক্তার তারা অনশন এড়িয়ে ত্রিপল,লেপ পেতে আংশিক কর্মবিরতিতে অংশ নিয়েছেন।একে একে সমস্ত টিম দেখে গেছেন তাদের গাফিলতি না ওষুধের বিষক্রিয়া তা নিয়ে।এইবার সেই সংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এল ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (IMA) সদস্যরা।

এদিন পাঁচ সদস্যের একটি দল মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপালের সঙ্গে কথা বলেন।কথা বলেন কর্মবিরতিতে অংশগ্রহণ করা জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে।এই দলে ছিলেন IMA (Indian Medical Association) এর তরফ থেকে বেঙ্গলের সভাপতি চন্দন ঘোষাল সহ সভাপতি চিরঞ্জীব মুখার্জি,রতন চক্রবর্তী,শুভদীপ বোস,মেদিনীপুর শাখার সভাপতি কৃপা সিন্ধু গাঁতাইত।এরপর তারা জেলা স্বাস্থ্য অধিকারের সঙ্গে দেখা করেন।তবে যাওয়ার আগে এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডাক্তারদের হয়েই সওয়াল করলেন তারা।আইএম এর সভাপতি চন্দন ঘোষাল বলেন,”আমরা আজকে খতিয়ে দেখলাম সেই সঙ্গে প্রিন্সিপালের সঙ্গে কথা বলেছি,কথা বলেছি জুনিয়ার ডাক্তারদের সঙ্গে।চিকিৎসার গাফিলতের অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন,”আমরা কোন চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ পেলাম না।

জুনিয়ার ডাক্তাররা যা করেছে তার মধ্যে কোন ভুল ত্রুটি ছিল না।কেননা,যদি ভুল ত্রুটি করা হতো তাহলে ফ্লুইড বের হতো শরীর থেকে,তা হয়নি।তবে স্যালাইনের বিষক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন স্যালাইন খতিয়ে দেখা হয়েছে তা expiry ২০২৭ সাল পর্যন্ত রয়েছে।এরপর সিনিয়র ডাক্তারদের না থাকা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন সিনিয়র ডাক্তার সেদিন ছিলেন,তাদের যা যা ডিউটি ছিল তাই তারা করেন।যদিও ঐদিন ডাক্তারদের বিরুদ্ধে FIR প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তাদের বক্তব্য আমরা এই নিয়ে প্রিন্সিপালের সাথে কথা বলেছি। প্রিন্সিপাল বলেছেন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি কিছু জানেন না।তাহলে কেন সাসপেনশন কেনই বা অভিযোগ পত্র তা নিয়ে অবশ্য মুখে কুলুপ এই আইএমের সদস্যদের।”


তবে এদিন তারা এও বলেন আইনি যা সহায়তা লাগে আমরা ডাক্তারদের দেব এবং আমরা এই ডাক্তারদের পাশেই রয়েছে।