
নিজস্ব প্রতিনিধি,মেদিনীপুর:
অবশেষে সাত দিনের মাথায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছুটি পেল মৃত প্রসূতি মামনি রুইদাসের এক মাসের পুত্র।যদিও এ নিয়ে খুশি হবার পাশাপাশি কিছুটা ক্ষোভ উগরে দিল পরিবার।মৃত প্রসূতি মামনি;রুইদাসের জামাইবাবু বলেন টিভিতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি দেখেছি কিন্তু হাতে কলমে কিছুই পাইনি।সরকারকে বলবো আমাদের দিকে দৃষ্টি দিতে এবং সাহায্য করতে।

দ্বিতীয়বার ভর্তি হওয়ার পর অবশেষে সাত দিনের মাথায় সুস্থ হয়ে ছুটি পেল মৃত প্রসূতি মামনি রুই দাসের এক মাসের শিশু।পরিবারের বক্তব্য সরকারকে বলব আমাদের দুটো বাচ্চার জন্য চিকিৎসা নিয়ে স্পেশাল ব্যবস্থা করা। প্রসঙ্গত,জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকেই বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পর ৫ প্রসূতি অসুস্থ হয়ে পড়ে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাতৃমাতে। যার মধ্যে গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় তড়িঘড়ি ICU তে ডায়ালিসিস করতে হয় ৪ প্রসূতি কে।কিন্তু সেখানে মামনি রুইদাস নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়।এরপরই বাকি তিন প্রসূতি মাম্পি সিং,মিনারা বিবি ও নাসরিন খাতুন কে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতায়।যদিও ট্রিটমেন্ট করার পর মিনারা বিবি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।এদিকে পাঁচ প্রসূতির মধ্যে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের রয়ে যাওয়া রেখা সাউয়ের পুত্রের মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে অসুস্থ হয়ে পড়ে মামনি রুইদাসের পুত্র এবং মিনারা বিবির পুত্র।তড়িঘড়ি মিনারা বিবির পুত্রকে কলকাতা রেফার করা হয়।এদিকে মামনি রুইদাসের পুত্র সুস্থ বাড়ি ফেরার পর আবার অসুস্থ হয়ে ভর্তি মেদিনীপুর কলেজে।তার পেট ফেঁপে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।সেই সঙ্গে রক্তে সংক্রমণ ধরা পড়ে।সেই ট্রিটমেন্ট এতদিন ধরে চলছিল।শেষে সাত দিনের মাথায় সুস্থ হয়ে এবার হাসপাতাল থেকে ছুটি দিল এই মৃত প্রসূতির সন্তানকে।তবে মামনির সন্তানকে ছুটি নিতে এসে কিছুটা খুশির সঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিল তার পরিবার।

এই নিয়ে মৃত মামনির রুইদাসের জামাইবাবু গৌতম দাস বলেন,”আজকে আমাদের শিশুকে ছুটি দিয়েছে।আমরা দেখেছি হাতে নিয়ে।আগের থেকে ট্রিটমেন্ট নিয়েও আমরা খুশি।কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি নিয়ে তিনি বলেন টিভিতে দেখেছি ৫ লক্ষ টাকা একজনের চাকরি দেওয়ার কিন্তু এখনো হাতে কলমে কিছুই পাইনি। আমরা চিন্তায় অধৈর্য হয়ে যাচ্ছি যে এই দুটো বাচ্চাকে মানুষ করবো কিভাবে।সরকারের কাছে আমাদের আবেদন থাকবে আমাদের দিকে সাহায্যের পাশাপাশি এই দুটো বাচ্চা অসুস্থ হলেই যেন স্পেশাল ভাবে ট্রিটমেন্ট এর ব্যবস্থা করা হয় প্রশাসনের তরফ থেকে।না হলে আমরা ভেসে যাব।