Midnapore : ‘মাছ নিয়ে রাজনীতি’ তৃণমূল বিজেপি প্রার্থীর মাছ নিয়ে প্রচার

Share

মেদিনীপুর 6 ই এপ্রিল :

এবার মাছ নিয়ে রাজনৈতিক তরজা। একজন প্রার্থী বললেন ‘মাছ আমরা খাই ,মাছ খাবো,শরীর খারাপ হলেও মাছ খাব প্রয়োজনে হাসপাতালে যাবো। আরেকজন বললেন চিংড়ি ইলিশ সস্তা আমাদের পুজোতেও মাছ লাগে। আমরা ভেতো বাঙালি মাছ ভাতেই খুশি।

হাতে মাত্র আর কটা দিন এরপরই প্রথম দফায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে গোটা রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। তবে এবারে দু দফায় ভোট হবে রাজ্যে, যার মধ্যে প্রথম দফায় অন্যান্য বিধানসভার পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুরে। আর তাই ভোটের প্রচারে ঝড় তুলছেন ডান,বাম,কংগ্রেস ও আইএসএফ প্রার্থীরা। তবে ভোটের প্রচার মূল লড়াই লেগেছে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে। মাছ ভাতে ভেতো বাঙালি মাছ খাবে কিনা তাই নিয়ে এখন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। এদিন এবার প্রচারের এক অঙ্গ হিসেবে এবার বাজারে বসে মাছ বিক্রি করলেন বিজেপি প্রার্থী শংকর গুছাইত। হাতে চিংড়া, কাতলা, মাছ তুলে নিয়ে মাছ সস্তা মাছ কিনুন বলে হাঁকও পাড়েন।এও বলেন আমরা ভেতো বাঙালি আমরা সব খাই। যা নিয়েই রাজনৈতিক চর্চা মেদিনীপুর বিধানসভা ঘিরে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে মেদিনীপুর শহরে।রাজা বাজারে এই মাছ দোকানে গিয়ে কাতলা মাছ হাতে তুলে নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী বলেছিলেন ‘ মাছ আমরা খাই মাছ খাব,শরীর খারাপ হলেও মাছ খাওয়া ছাড়বো না’ মাছ আমরা খাবই। ঠিক তারপরেই একই পদ্ধতিতে মাছ বাজারে বসে রাজনৈতিক প্রচার সারলেন বিজেপি প্রার্থী। বলা বাহুল্য নির্বাচনী প্রচারের ভিন্ন ভিন্ন দিকগুলি এবার দেখা দিচ্ছে গোটা রাজ্য। উল্লেখ্য,এবারে ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর বিধানসভা থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছেন সুজয় হাজরা, বিজেপির হয়ে শংকর গুছাইত, সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরই এবং SUCI থেকে লড়াই করছেন সুশ্রীতা সরেন। এখন অপেক্ষা ২৩ শে এপ্রিলের।

এ বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর গুছাইত বলেন,”গতকাল মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় মানুষের যেভাবে উচ্ছ্বাস তাতে এক বাক্যে সবাই বলছে এবারে পরিবর্তন হচ্ছে। এলাকায় হকাদের পুনর্বাসন নিয়ে তিনি বলেন ছোট ছোট ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন সম্পর্কে সম্পূর্ণ উদাস তৃণমূল শুধু দিদি বলেছে কাটমানি তোল আর পাঠাও আর তাই নিয়েই ব্যস্ত তারা। এরপর মাছ বিক্রি নিয়ে বলেন আমি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে ধন্যবাদ জানাবো এই কারণে কারণ আমি যা যা করছি, উনিও আমার পেছনে পেছনে সেই রকমই কাজ করে রাজনৈতিক প্রচার করছেন। আমি চাই উনি কাটমানি বন্ধ করুন। ওনাকে বলব সাধারণ মানুষের স্বার্থে রাস্তা জল লাইট দিন বিধানসভার এলাকা গুলোতে।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in