
মেদিনীপুর 22 সে মে :
পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী হওয়ার পর মেদিনীপুরে প্রথম মর্নিং ওয়ার্ক এ সামিল হলেন বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা দিলীপ ঘোষ।পুরনো কর্মী, পুরনো নেতৃত্ব পুরনো জায়গা এবং পুরানো মেজাজেই তিনি মর্নিং ওয়ার্ক করার পর চা চক্রে শামিল হন এবং রাজ্যের পরিস্থিতি,বাজেট,তদন্ত সেইসঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টি নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন

মেদিনীপুরের দিলীপ ঘোষ পরিচিত চিরদিনই। ২০১৪ সালে সেন্ট্রালে বিজেপি গভমেন্ট আসার পর থেকেই মেদিনীপুরে মাঠে ময়দানে নেমে পড়েছিল এই বিজেপি সর্বভারতীয় নেতা। পশ্চিম মেদিনীপুরের তিনি একাধিক চা চক্র করেছেন, জনসংযোগ করেছেন অভাব অভিযোগ শুনেছেন মন্তব্য করেছেন। এরপর তিনি খড়্গপুর থেকে দাঁড়িয়ে বিধায়ক হয়েছেন,মেদিনীপুরের সাংসদ হয়েছেন বর্তমানে তিনি মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন বিজেপি সরকারের। তবে দিলীপ ঘোষ পুরনো দিলীপ ঘোষ-ই রয়েছেন, তার পুরনো মেজাজে। মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর এই প্রথম তিনি মেদিনীপুরে এলেন মর্নিং ওয়ার্ক ও চা চক্র করতে। এদিন তিনি মেদিনীপুরের বেশ কয়েকজন নেতা নেতৃত্ব কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সকালবেলায় মর্নিং ওয়ার্ক করেন এবং সবাই একসাথে চা চক্রে শামিল হন। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মিলিত হয়ে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন এবং সরকারের বর্তমান অবস্থা পরিস্থিতির উন্নয়নয়ন নিয়ে মন্তব্য করেন।

এইদিন দিলীপ ঘোষ কে সামনে পেয়ে সাংবাদিকরা প্রথমে তাকে মেদিনীপুরের এই মর্নিং ওয়ার্ক নিয়ে প্রশ্ন করেন। তাতে দিলীপ ঘোষ বলেন,” পুরনো মেদিনীপুরে আছে, আগের সেই লোকজন আছে, কর্মী সমর্থকরা আছে এবং সেই মর্নিং ওয়ার্ক রয়েছে। শুধু বদলেছে যা তা হলো নতুন সরকারের এসে আমার মন্ত্রিত্ব পাওয়া। এরপর রাজ্যের আর্থিক উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন করলে দিলীপ ঘোষ বলেন আগে সরকার বড় বড় গর্ত করে দিয়ে গেছে, কোষাগারে এখন টাকা নেই। কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে কথা চলছে। গতকাল আমাদের মুখ্যমন্ত্রী গেছেন দিল্লিতে কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে,কথা বলতে গেছেন পলিসি এবং সামনের বাজেট নিয়ে। আমি আমার তিনটে ডিপার্টমেন্ট বাজেট নিয়ে বসবো, আলোচনা করব।

তবে আশা করছি পুরনো নতুন সমস্ত কাজই শুরু হবে এই রাজ্যে। এরপর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডি রেড প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন এর আগে যত কমপ্লেন ছিল, হিংসার অভিযোগ ছিল সেগুলো তদন্ত শুরু হয়েছে। সেগুলো হয় রাজ্যের পুলিশ করবে,নয় ইডি এবং কেন্দ্র তদন্তকারী সংস্থা। এরপর সম্প্রীতি বিতর্ক সৃষ্টি করা ককরোচ জনতা পার্টি গ্যাং নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন অনেকে অনেক কিছুই বলবে কিন্তু সবাইকে আইনের সামনে আসতে হবে।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এইদিন দুপুর নাগাদ জেলা কালেক্টরেটে একটি বৈঠক করেছেন মন্ত্রী সেল্ফ হেল্প গ্রুপের সঙ্গে। জেলা বর্তমান পরিস্থিতি সেসঙ্গে পঞ্চায়েত ভোটের আগে জেলার পঞ্চায়েত পরিস্থিতি গুলি খতিয়ে আলোচনা করা হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলার 15 টি জেতা বিধায়ক।