
দাঁতন 22 সে এপ্রিল :
নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে শাসকদলের আক্রমণে ভাঙলো প্রার্থীর হাত,আহত একাধিক, পুড়ল বাইক। এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা।পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে থানায় বিক্ষোভ বিজেপির। যদিও অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।

ভোটের ৪৮ ঘন্টা আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল দাঁতন। বিজেপির মিছিলে হামলা আহত শতাধিক, বাইকে আগুন ভাঙচুর এক ও একাধিক বাইক। এলাকায় যথেষ্ট উত্তেজনা। নেই ফোর্সের দেখা। অভিযোগের তীর শাসক দলের দিকে। আহত এর বিবরণ অনুযায়ী এই দিন দাঁতনের বিজেপি প্রার্থী অজিত জানার সমর্থনে একটি বাইক মেগারেলির আয়োজন করা হয়। এই বাইক জাহালদা হয়ে তুরকা এবং আঁতলা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এইখানে ঘটনা স্থলে আসার পরই এলাকার শাসক দলের লোকেরা হঠাত মারধোর করা শুরু করে। বিজেপির এও অভিযোগ একের পর এক বাইকে ভাঙচুর করা হয়,লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। পাশাপাশি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের একধারে মারতে মারতে আধমরা করা দেওয়া হয়। কারো হাত কেটে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় বিজেপির প্রার্থীর হাত ভেঙেছে বলেও অভিযোগ।এই ঘটনায় পরেই এলাকায় উত্তেজনার ছড়িয়ে পড়ে।

বিজেপি কর্মীরা যে যেদিকে পারে পালাতে থাকে। এরপর আহতদেরকে কোনক্রমে আনা হয় হাসপাতালে। কিছু জনকে জলেশ্বর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ।যদিও ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রশাসন এবং ফোর্সের দেখা নেই কেন দেখা নেই তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দাঁতন থানা ঘিরে অবরোধ করে রাখে বিজেপির কর্মী সমর্থক ও নেতৃত্ব।

এ বিষয়ে আহত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে প্রার্থী অজিত জানা বলেন,’তাদের শেষ পর্যায়ের মিছিল চলছিল। এই মিছিল চলাকালীনই তাদের উপর হামলা চালায় শাসকদলের দুষ্কৃতীরা। কেউ রেহাই যায়নি। শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে ,এক ও একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে যেপাশে পেরেছে দৌড়ে পালিয়ে গিয়েছে।আমরা বারবার পুলিশ প্রশাসনকে বলেছি কিন্তু আমাদের মিছিলে শেষের দিকে না ছিল পুলিশ,না ছিল ফোর্স।

যদিও এই ঘটনায় মুখে কুলুপ শাসক দলের। এই নিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন,’ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানিনা খোঁজ নিয়ে খতিয়ে দেখা হবে।’