
ঘাটাল 14 ই মে :
বেরিয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল আর সেই ফলাফলের রামকৃষ্ণ মিশনের জয় জয় কার। তবে রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র হয়েও বাড়ি ঘাটালে জিষ্ণু কুন্ডুর প্রাপ্ত নাম্বার ৪৯৬। জিষ্ণু বড় হয়ে জিওলজিস্ট।অবসরে বই পড়ে কাটাতে চান সেই সঙ্গে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে গড়ে তুলেছেন ফেসবুক সোশ্যাল পেজ।

মাধ্যমিকে নয় তবে উচ্চমাধ্যমিকে নজর কাড়ল পশ্চিম মেদিনীপুরের শেষ প্রান্ত ঘাটাল। ঘাটাল শহরের কুশপাতার বাসিন্দা কুণ্ডু পরিবারের জিষ্ণু কুন্ডু ৫০০ এর মধ্যে প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬ পেয়ে সম্ভাব্য দ্বিতীয় স্থানে। আর যা নিয়ে এলাকায় খুশির পরিবেশ। মূলত এই বিষ্ণুপুন্ডু পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠের ছাত্র। এই বছর ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠের এই মেধাবী ছাত্র ৫০০ নম্বরের মধ্যে ৪৯৬ নম্বর পেয়েছে, যা শতাংশের বিচারে ৯৯.২ শতাংশ। এই অসামান্য সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া কুণ্ডু পরিবার সহ সমগ্র ঘাটালে। পড়ুয়া জিষ্ণু পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠের ছাত্র হলেও তার বাড়ি ঘাটালে। বাবা অর্ণব কুণ্ডু পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং মা মৌমিতা কুণ্ডু গৃহবধূ। জিষ্ণুর আগামী কাল একটি পরীক্ষা থাকায় সে খুব ব্যস্ত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এছাড়াও ঘাটাল শহরের নিশ্চন্দীপুরের বাসিন্দা অম্লান রায় ওই রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ থেকে ৯৭.৪ নম্বর পেয়ে দশম স্থান দখল করেছে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃত পাল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। অর্থাৎ ৯৯.২ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন তিনি।এ বারের উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মোট তিন জন পরীক্ষার্থী। তাঁরা তিনজনেই ৪৯৫ করে নম্বর পেয়েছেন। তাঁদের নাম পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠের ছাত্র জিষ্ণু কুণ্ডু,
নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের ছাত্র ঋতব্রত নাথ,নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের ছাত্র ঐতিহ্য পাঁচাল।

এই বিষয়ে জিষ্ণু কুন্ডু বলে,”সময় পেলেই পড়াশোনা করতাম পড়াশোনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে স্কুলের শিক্ষকরা, তবে বাবা-মা সপ্তাহে দেখা করতে আসতো কারণ স্কুল হচ্ছে আবাসিক। তারা বিভিন্নভাবে মানসিক দিক দিয়ে সাহায্য করেছে। বড় হয়ে জিওলজিস্ট হতে চাই। নিট ক্যানসেল হওয়ায় মনে অনেকটা দুঃখ রয়েছে। তবে অবসর টাইমে বই পড়ার পাশাপাশি মেয়েদের মধ্যে আলাপচারিতার জন্য একটি সোশ্যাল মাধ্যমে পেজ খোলা হয়েছিল। যেখানে সমস্ত রকম আলাপ-আলোচনা হত।