
খড়গপুর 21 সে মে :
গ্যাসের সমস্যা-সমাধানে এবার চেন্নাই বা ব্যাঙ্গালোর দৌড়াতে হবে না মেদিনীপুরের পর এবার রেল শহর খড়্গপুরে আসছেন যশোদা হাসপাতালের বিশিস্ট সার্জিক্যাল গাস্ট্রোএন্টারোল জিস্ট চিকিৎসক সন্তোষ কুমার গণপতি। যাবতীয় গ্যাসের সমস্যা,পুরানো জটিল রোগ সেই সঙ্গে অস্ত্রপ্রচার এবং বড় অপারেশনের জন্য অবিলম্বে যোগাযোগ করুন যশোদা হাসপাতালে। মাসের একবার নিজেই দেখাতে পারবেন এই ডাক্তার বাবুকে এবং যাবতীয় সমস্যা বলে গ্যাসের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন এক দিনেই।
(নাম নথিভুক্ত করতে যোগাযোগ করুন – 7075763956 নম্বরে এবং 8910093453)

মূলত বাংলা আর বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের একাধিক পার্বণ নেই আনন্দ উৎসবে মেতে থাকে। আর আনন্দ উৎসব মানেই নানা পদের খাওয়া দাওয়া। বাঙালিরা রকমারি পদ নানান স্বাদে বানিয়ে খেতে পটু। আর তাই গ্যাসের সমস্যায় ভোগে বেশি এই বাঙালি। তবে সেই সমস্যা বাড়লে তারা কোন কারণ ছাড়াই অ্যান্টাসিড খেয়ে গ্যাসের উপশম করান আর তাতেই বাড়ে বিপত্তি। সমস্যা বেশি বাড়লে তারা চেন্নাই ব্যাঙ্গালোরে ট্রেন বিমানে করে পাড়ি দেন এবং দীর্ঘদিন ওখানে থেকে গ্যাসের সমাধান করে আসেন। তাতে যেমন ব্যয়বহুল তেমনি দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়। তাই এবার হাতের মুঠোয় এবং নিজের এলাকায় চিকিৎসকরা হাজির হচ্ছেন তার নিরাময় নিয়ে। পশ্চিম মেদিনীপুরে রেল শহর খড়্গপুরের প্রেম বাজারে উই কেয়ার ডায়াগনস্টিক এন্ড পলিক্লিনিকে বসছেন যশোদা হাসপাতালের বিশিস্ট সার্জিক্যাল গাস্ট্রোএন্টারোল জিস্ট চিকিৎসক সন্তোষ কুমার গণপতি।

মাসের একদিন তিনি বসবেন আর ফোনে যোগাযোগ করেই নিজের নাম নথিভুক্ত করাতে পারবেন।এই ডাক্তারের বিশেষত্ব হলো তিনি ল্যাপারোস্কোপিক এবং ন্যূনতম অ্যাক্সেস সার্জারি, বেরিয়াট্রিক এবং রোবোটিক সার্জারি, হেপাটোবিলিয়ারি এবং প্যানক্রিয়াটিক সার্জারি,কোলোরেক্টাল সার্জারি,গল ব্লাডার সার্জারি হার্নিয়া সার্জারি, অ্যাপেন ডিসাইটিস, পেপটিক আলসার সার্জারি, গ্যাস্ট্রোইন টেস্টাইনাল ক্যান্সার সবকিছুই করান যশোদা হাসপাতালে। তাই দেরি না করে আজই আসুন এবং সারিয়ে তুলুন আপনার দীর্ঘদিনের পেটের সমস্যা। আমাদের ডাক্তার বাবুর অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে এখুনি ফোন করুন 7075763956 নম্বরে এবং 8910093453। এছাড়াও এই সার্জিক্যাল গাস্ট্রোএন্টা রোলজিস্ট ডাক্তার বাবু বসছেন পাঁশকুড়ার হাটই ডায়গনস্টিক সেন্টারে।

এই বিষয়ে যশোদা হাসপাতালের সার্জিক্যাল বিশিষ্ট গাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট সন্তোষ কুমার গণপতি বলেন,”ল্যাপারোস্কোপিক এবং ন্যূনতম অ্যাক্সেস সার্জারি, বেরিয়াট্রিক এবং রোবোটিক সার্জারি, হেপাটোবিলিয়ারি এবং প্যানক্রিয়াটিক সার্জারি, কোলোরেক্টাল সার্জারি,গল ব্লাডার সার্জারি হার্নিয়া সার্জারি, অ্যাপেন ডিসাইটিস, পেপটিক আলসার সার্জারি, গ্যাস্ট্রোইন টেস্টাইনাল ক্যান্সার সবকিছুর অপারেশন আমি করে থাকি এই যশোদা হাসপাতালে। তবে মানুষকে বলবো তৈলাক্ত জাতীয় খাবার, ফাস্টফুড, অতিরিক্ত চা কফি এড়িয়ে চলুন এই গ্যাসের সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য। তারপরেও বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা,ঘন ঘন পায়খানা হলে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।”

অন্যদিকে যশোদা হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিদ্ধার্থ চৌধুরী বলেন,”দিনের পর দিন মানুষের অনিয়মের খাওয়া দাওয়া সেই সঙ্গে ফাস্টফুড এবং তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার জন্যই এই গ্যাসের সমস্যা এবং রোগ বাড়ছে। তাই বাধ্য হয়ে এই রাজ্যের জেলার মানুষ টাকা এবং সময় নষ্ট করে দৌড়ে যান আমাদের যশোদা হাসপাতালে। কিন্তু তারপরও তাদেরকে হয়রানি হতে হয় এই ট্রেন জার্নি এবং খরচের ব্যয়বহুলতার জন্য। তাই আমরা সেই সকল রোগীদের কথা ভেবেই এখন আপনার এলাকা খড়্গপুরে এই ডাক্তারবাবু নিজেই আসছেন রোগীদের চিকিৎসা করার জন্য। এতে জেলার মানুষ উপকৃত হবেন।”

অন্যদিকে সাউথ বেঙ্গলের ইনচার্জ আকাশদীপ ব্যানার্জি বলেন,”জেলার হাসপাতাল এবং কলকাতায় মানুষ চিকিৎসা করাতে ভয় পায় না কিন্তু যখনই বাইরে হায়দ্রাবাদে যায় তখন কিছুটা ঘাবড়ে যায়। সেইসঙ্গে কোন ডাক্তার দেখাবো,কিভাবে দেখাবো, কিভাবে লাইন করাবো তাই নিয়ে তারা চিন্তায় থাকে। তাই সেই টেনশন দূর করার জন্যই আমরা ডাক্তারবাবুদের আপনাদের এলাকায় নিয়ে আসছি। তারা প্রথমে দেখবেন রোগীকে, সনাক্ত করবেন এবং প্রয়োজন হলে সমস্ত ব্যবস্থা করে দিয়েই নিয়ে যাবেন হায়দ্রাবাদে। তাতে যেমন সময়ের অপচয় কমবে সেইসঙ্গে আর্থিক ব্যয়বহুলতাও কমবে রোগী এবং রোগীর পরিবারের।”