Ghatal Triple Trafficking : তৃণমূল নেতার ত্রিপল পাচার আটকালো এলাকাবাসী, সংঘর্ষে জড়ালো তৃণমূল বিজেপি! অভিযোগ হলো না শেষ পর্যন্ত

Share

ঘাটাল 20 ই মে :

অভিযোগ তৃণমূল সরকারের সময়কালের ত্রিপল সরকারি স্পেশাল কিট ত্রাণ সামগ্রী মজুদ ছিল তৃণমূল নেতার গোডাউনে, অন্যত্রে পাচার করার সময় আটকাল এলাকাবাসী। ঘটনায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লো তৃণমূল বিজেপি কর্মীরা। যদিও পুলিশের দাবি শেষ পর্যন্ত কোন পক্ষই অভিযোগ করে নি তাই তদন্ত এগোয় নি।

তৃণমূল নেতার দোকান ঘর থেকে উদ্ধার সারি সারি সরকারি ত্রিপল, সাথে বন্যার ত্রাণ সামগ্রী,স্পেশাল সরকারি কিট, সেগুলি এইদিন সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল অন্যত্রে। স্থানীয় মানুষের নজরে আসতে আটকে দেয় তারা , উপস্থিত হয় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট ও পুলিশ বাহিনী, সকলের সামনে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা। এলাকায় তুমুল উত্তেজনা শেষ মেষ পুলিশ ও বিজেপি বিধায়কের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, রয়েছে এলাকায় উত্তেজনা। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল ব্লকের মনশুকা ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ঘোড়ইঘাট এলাকায়। সূত্রে জানা যায় দুপুর নাগাদ ওই এলাকার তুমুলের এক পঞ্চায়েত সদস্য যার নাম রাম পাল তার দোকান গোডাউন থেকে প্রচুর ত্রিপল ও সরকারি ত্রানসামগ্রী ট্রলিতে লোড করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল আর তা নজরে আসতেই এলাকায় তৈরি হয় তুমুল উত্তেজনা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী, তৃণমূল বিজেপি কর্মী সমর্থক একে অপরের হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। প্রসঙ্গত,এই তৃণমূল নেতা রাম পালের উপর আগেও অনেক অভিযোগ উঠেছিল ও,অভিযোগ উঠেছে সরকারী এম্বুলেন্স বিক্রি সহ অনেক কিছু।অভিযুক্ত রামপালের দাবী এই ঘটনা তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি থেকে শুরু করে সকলেই জানে। যদিও শেষ পর্যন্ত কোন অভিযোগ জমা পড়েনি বলে দাবি পুলিশের।

এই বিষয়ে বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট বলেন, “আমরা এর আগে বহুবার অভিযোগ করেছিলাম কিন্তু তখন অভিযোগ শোনা হয়নি। এর আগে ওনার বাড়ি থেকেই সরকারি জিনিসপত্র পাওয়া গেছে। শুধু ত্রিপল না সেই সঙ্গে একটি সরকারিভাবে অ্যাম্বুলেন্স কেনা হয়ে রাখা ছিল সেটিও উনি রাতারাতি বিক্রি করে দিয়েছেন। গরিব মানুষের সরকারি ত্রিপল এই তৃণমূল নেতা রাতারাতি পাচার করে দিয়ে দুষ্কর্ম করেছেন আমরা চাই ওনার বিরুদ্ধে তদন্ত হোক।”

অন্যদিকে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রামপাল বলেন,” এখানে সরকারি ত্রিপুরা রাখতে আমাকে এলাকার বেশ কিছু তৃণমূল নেতা বলেছিল যাদের নির্দেশে আমি রেখেছি। এর বেশি কিছু আমি জানি না।”

যদিও এ ঘটনা এলাকায় উত্তেজনায় ছড়িয়েছে, পুলিশ পূর্ব বিষয়টাই তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এ বিষয়ে ঘাটালের এক পুলিশ আধিকারিক বলেন এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ হয়নি, অভিযোগ পেলেই আমরা খতিয়ে দেখব।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in